Dhaka 1:48 pm, Monday, 14 September 2026

শেষ মুহূর্তে মানবতার জয়—ডা. মেহেদী হাসান সাগরের চেষ্টায় মৃত্যুর মুখ থেকে বেঁচে ফিরলেন আব্দুস সামাদ

  • Reporter Name
  • Update Time : 02:44:20 pm, Friday, 10 April 2026
  • 532 Time View

মৌমাছির একাধিক কামড়ে ‘অ্যানাফাইল্যাকটিক শক’—ভাংগুড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নাটকীয় জীবনরক্ষা
স্টাফ রিপোর্টার, পাবনা |
পাবনার ভাংগুড়া উপজেলার ভেড়ামারা এলাকার ৬০ বছর বয়সী আব্দুস সামাদ গত ৯ এপ্রিল ২০২৬, বৃহস্পতিবার মৌমাছির একাধিক কামড়ে গুরুতরভাবে অসুস্থ হয়ে পড়েন।
দ্রুত তাকে ভাংগুড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগে নেওয়া হলে চিকিৎসকরা তাকে অ্যানাফাইল্যাকটিক শক অবস্থায় পান।
পরিস্থিতি ছিল অত্যন্ত সংকটাপন্ন
পালস পাওয়া যাচ্ছিল না
রক্তচাপ ছিল অনুপস্থিত
রোগী ছিলেন প্রায় অচেতন। জরুরী বিভাগে দায়িত্বপ্রাপ্ত চিকিৎসক ডা মেহেদী হাসান সাগর দ্রুত চিকিৎসা সেবা প্রদান করেন প্রয়োগ করা হয়—
Inj. Chlorpheniramine
Inj. Hydrocortisone
Intravenous Fluid
কিন্তু পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে ওঠে, কারণ জীবনরক্ষাকারী গুরুত্বপূর্ণ ওষুধ Adrenaline হাসপাতালে অনুপস্থিত ছিল। বিভিন্ন
ফার্মেসিতে খোঁজ করেও অ্যাড্রেনালিন না পাওয়ায় শুরু হয় চরম সংকট। ঠিক তখনই শুরু হয় মানবিক উদ্যোগ ও সমন্বিত প্রচেষ্টা।
স্থানীয়ভাবে যোগাযোগ করে নিরাপদ হাসপাতাল ও ডায়াগনস্টিক সেন্টারের হেলাল মাত্র ৫ মিনিটের মধ্যে অ্যাড্রেনালিন ইনজেকশন সংগ্রহ করে হাসপাতালে পৌঁছে দেন।
ডা. মেহেদী হাসান সাগরের তাৎক্ষণিক চিকিৎসা ও অ্যাড্রেনালিন প্রয়োগের পর মাত্র ১০ মিনিটের মধ্যে ঘটে নাটকীয় পরিবর্তন
রোগীর পালস ফিরে আসে
রক্তচাপ পাওয়া যায় 140/80 mmHg
কিছুক্ষণের মধ্যে জ্ঞান ফিরে পান আব্দুস সামাদ
তিনি ধীরে ধীরে সম্পূর্ণ সুস্থ হয়ে ওঠেন এবং পরবর্তীতে হাসপাতাল ত্যাগ করেন।
মানবতার নায়করা
এই জীবনরক্ষার ঘটনায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন—
ডা. মেহেদী হাসান সাগর
নার্সিং ইনচার্জ শারমিন
মেডিকেল অ্যাসিস্ট্যান্ট আরিফ
ওয়ার্ড বয় হাকিম
নিরাপদ হাসপাতালের জহুরুল ও হেলাল ।
রোগীর স্বজনরা
চিকিৎসকরা জানান—
মৌমাছি বা বোল্লা কামড় কখনোই অবহেলা করা উচিত নয়। এটি দ্রুত মারাত্মক অ্যানাফাইল্যাকটিক শক সৃষ্টি করতে পারে, যা সময়মতো চিকিৎসা না পেলে প্রাণঘাতী হতে পারে।
শেষ মুহূর্তে একটি দ্রুত সিদ্ধান্ত, একটি ইনজেকশন এবং মানবিক সহযোগিতায়
ফিরিয়ে এনেছে একটি প্রাণকে মৃত্যুর মুখ থেকে জীবনের আলোয়।
নোট: রোগী ও স্বজনের অনুমতি নিয়ে তথ্য প্রকাশ করা হয়েছে।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Popular Post

পার্বতীপুরে জাতীয় পার্টির সাংগঠনিক সফর ও আলোচনা সভা 

শেষ মুহূর্তে মানবতার জয়—ডা. মেহেদী হাসান সাগরের চেষ্টায় মৃত্যুর মুখ থেকে বেঁচে ফিরলেন আব্দুস সামাদ

Update Time : 02:44:20 pm, Friday, 10 April 2026

মৌমাছির একাধিক কামড়ে ‘অ্যানাফাইল্যাকটিক শক’—ভাংগুড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নাটকীয় জীবনরক্ষা
স্টাফ রিপোর্টার, পাবনা |
পাবনার ভাংগুড়া উপজেলার ভেড়ামারা এলাকার ৬০ বছর বয়সী আব্দুস সামাদ গত ৯ এপ্রিল ২০২৬, বৃহস্পতিবার মৌমাছির একাধিক কামড়ে গুরুতরভাবে অসুস্থ হয়ে পড়েন।
দ্রুত তাকে ভাংগুড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগে নেওয়া হলে চিকিৎসকরা তাকে অ্যানাফাইল্যাকটিক শক অবস্থায় পান।
পরিস্থিতি ছিল অত্যন্ত সংকটাপন্ন
পালস পাওয়া যাচ্ছিল না
রক্তচাপ ছিল অনুপস্থিত
রোগী ছিলেন প্রায় অচেতন। জরুরী বিভাগে দায়িত্বপ্রাপ্ত চিকিৎসক ডা মেহেদী হাসান সাগর দ্রুত চিকিৎসা সেবা প্রদান করেন প্রয়োগ করা হয়—
Inj. Chlorpheniramine
Inj. Hydrocortisone
Intravenous Fluid
কিন্তু পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে ওঠে, কারণ জীবনরক্ষাকারী গুরুত্বপূর্ণ ওষুধ Adrenaline হাসপাতালে অনুপস্থিত ছিল। বিভিন্ন
ফার্মেসিতে খোঁজ করেও অ্যাড্রেনালিন না পাওয়ায় শুরু হয় চরম সংকট। ঠিক তখনই শুরু হয় মানবিক উদ্যোগ ও সমন্বিত প্রচেষ্টা।
স্থানীয়ভাবে যোগাযোগ করে নিরাপদ হাসপাতাল ও ডায়াগনস্টিক সেন্টারের হেলাল মাত্র ৫ মিনিটের মধ্যে অ্যাড্রেনালিন ইনজেকশন সংগ্রহ করে হাসপাতালে পৌঁছে দেন।
ডা. মেহেদী হাসান সাগরের তাৎক্ষণিক চিকিৎসা ও অ্যাড্রেনালিন প্রয়োগের পর মাত্র ১০ মিনিটের মধ্যে ঘটে নাটকীয় পরিবর্তন
রোগীর পালস ফিরে আসে
রক্তচাপ পাওয়া যায় 140/80 mmHg
কিছুক্ষণের মধ্যে জ্ঞান ফিরে পান আব্দুস সামাদ
তিনি ধীরে ধীরে সম্পূর্ণ সুস্থ হয়ে ওঠেন এবং পরবর্তীতে হাসপাতাল ত্যাগ করেন।
মানবতার নায়করা
এই জীবনরক্ষার ঘটনায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন—
ডা. মেহেদী হাসান সাগর
নার্সিং ইনচার্জ শারমিন
মেডিকেল অ্যাসিস্ট্যান্ট আরিফ
ওয়ার্ড বয় হাকিম
নিরাপদ হাসপাতালের জহুরুল ও হেলাল ।
রোগীর স্বজনরা
চিকিৎসকরা জানান—
মৌমাছি বা বোল্লা কামড় কখনোই অবহেলা করা উচিত নয়। এটি দ্রুত মারাত্মক অ্যানাফাইল্যাকটিক শক সৃষ্টি করতে পারে, যা সময়মতো চিকিৎসা না পেলে প্রাণঘাতী হতে পারে।
শেষ মুহূর্তে একটি দ্রুত সিদ্ধান্ত, একটি ইনজেকশন এবং মানবিক সহযোগিতায়
ফিরিয়ে এনেছে একটি প্রাণকে মৃত্যুর মুখ থেকে জীবনের আলোয়।
নোট: রোগী ও স্বজনের অনুমতি নিয়ে তথ্য প্রকাশ করা হয়েছে।