Dhaka 2:23 am, Thursday, 29 October 2026
দুধ বানানোর অভিনব কারসাজি!”—জেলি-কেমিক্যাল মিশিয়ে ২,৫০০ লিটার ভেজাল দুধ

দুধের নামে জেলি-কেমিক্যালের কারবার, সাঁথিয়ায় ডেইরি ফার্ম সিলগালা

দুধের বদলে যেন ‘কেমিক্যালের শরবত’! ঘনত্ব বাড়াতে জেলি, আর টাটকা রাখার নামে হাইড্রোজেন পার-অক্সাইড—পাবনার সাঁথিয়ায় এমনই অভিযোগে ‘জুই ডেইরি ফার্ম’ সাময়িক সিলগালা করেছে ভোক্তা-অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর।

অভিযানে উদ্ধার হয়েছে ২ হাজার ৫০০ লিটার ভেজাল দুধ ও দুই ব্যারেল ক্ষতিকর জেলি। ঘটনাস্থলেই এসব ধ্বংস করা হয়। একই ঘটনায় ফার্মের মালিক মো. মানিককে ২ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে।

রোববার (৬ সেপ্টেম্বর) ভোরে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে সাঁথিয়ার নাগডেমড়া এলাকায় অভিযান চালান পাবনা ভোক্তা-অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক মো. মাহমুদ হাসান রনি।

অভিযান সংশ্লিষ্টদের দাবি, দুধের পরিমাণ ও ঘনত্ব কৃত্রিমভাবে বাড়াতে জেলিজাতীয় পদার্থ এবং দীর্ঘসময় দুধ ‘তাজা’ দেখাতে হাইড্রোজেন পার-অক্সাইড ব্যবহার করা হচ্ছিল।

অর্থাৎ, গাভীর দুধ কতটা আর রাসায়নিকের কারসাজি কতটা—সেটিই যেন হয়ে উঠেছিল বড় প্রশ্ন!

এ ঘটনায় ফার্মের মালিককে জরিমানা করার পাশাপাশি প্রতিষ্ঠানটি সাময়িকভাবে সিলগালা করা হয়েছে।

অভিযানে জেলা স্যানিটারি ইন্সপেক্টর মো. মাহমুদ আলম ও আনসার ব্যাটালিয়নের সদস্যরা সহযোগিতা করেন।

বিশেষজ্ঞদের মতে, এ ধরনের ক্ষতিকর পদার্থ মিশ্রিত দুধ নিয়মিত সেবন স্বাস্থ্যের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ হতে পারে। শিশুদের ক্ষেত্রে ঝুঁকি আরও বেশি।

ভোক্তার প্রশ্ন—যে দুধ পরিবারের শিশুদের মুখে যাওয়ার কথা, সেখানে দুধের বদলে জেলি-কেমিক্যাল ঢোকানোর সাহস আসে কীভাবে?

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Popular Post

ভিসার প্রলোভনে লিবিয়ায় মানবপাচার? উন্নত জীবনের স্বপ্ন দেখিয়ে বন্দিত্ব, মুক্তিপণ আদায়ের অভিযোগ—নেপথ্যে কারা?

দুধ বানানোর অভিনব কারসাজি!”—জেলি-কেমিক্যাল মিশিয়ে ২,৫০০ লিটার ভেজাল দুধ

দুধের নামে জেলি-কেমিক্যালের কারবার, সাঁথিয়ায় ডেইরি ফার্ম সিলগালা

Update Time : 09:37:47 pm, Sunday, 6 September 2026

দুধের বদলে যেন ‘কেমিক্যালের শরবত’! ঘনত্ব বাড়াতে জেলি, আর টাটকা রাখার নামে হাইড্রোজেন পার-অক্সাইড—পাবনার সাঁথিয়ায় এমনই অভিযোগে ‘জুই ডেইরি ফার্ম’ সাময়িক সিলগালা করেছে ভোক্তা-অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর।

অভিযানে উদ্ধার হয়েছে ২ হাজার ৫০০ লিটার ভেজাল দুধ ও দুই ব্যারেল ক্ষতিকর জেলি। ঘটনাস্থলেই এসব ধ্বংস করা হয়। একই ঘটনায় ফার্মের মালিক মো. মানিককে ২ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে।

রোববার (৬ সেপ্টেম্বর) ভোরে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে সাঁথিয়ার নাগডেমড়া এলাকায় অভিযান চালান পাবনা ভোক্তা-অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক মো. মাহমুদ হাসান রনি।

অভিযান সংশ্লিষ্টদের দাবি, দুধের পরিমাণ ও ঘনত্ব কৃত্রিমভাবে বাড়াতে জেলিজাতীয় পদার্থ এবং দীর্ঘসময় দুধ ‘তাজা’ দেখাতে হাইড্রোজেন পার-অক্সাইড ব্যবহার করা হচ্ছিল।

অর্থাৎ, গাভীর দুধ কতটা আর রাসায়নিকের কারসাজি কতটা—সেটিই যেন হয়ে উঠেছিল বড় প্রশ্ন!

এ ঘটনায় ফার্মের মালিককে জরিমানা করার পাশাপাশি প্রতিষ্ঠানটি সাময়িকভাবে সিলগালা করা হয়েছে।

অভিযানে জেলা স্যানিটারি ইন্সপেক্টর মো. মাহমুদ আলম ও আনসার ব্যাটালিয়নের সদস্যরা সহযোগিতা করেন।

বিশেষজ্ঞদের মতে, এ ধরনের ক্ষতিকর পদার্থ মিশ্রিত দুধ নিয়মিত সেবন স্বাস্থ্যের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ হতে পারে। শিশুদের ক্ষেত্রে ঝুঁকি আরও বেশি।

ভোক্তার প্রশ্ন—যে দুধ পরিবারের শিশুদের মুখে যাওয়ার কথা, সেখানে দুধের বদলে জেলি-কেমিক্যাল ঢোকানোর সাহস আসে কীভাবে?