Dhaka 8:37 pm, Friday, 30 October 2026

আটঘরিয়ায় নারী নির্যাতন মামলার তদন্তে এস আই মোঃ আল আচানুল কবিরের বিরুদ্ধে ঘুষ বাণিজ্যের অভিযোগ   

  • Reporter Name
  • Update Time : 06:21:53 pm, Friday, 30 October 2026
  • 3 Time View

{"source_type":"vicut","data":{"client_key":"aw889s25wozf8s7e","source_type":"vicut","source_platform":"mobile_2","appVersion":"19.9.0","enterFrom":"new_image","os":"android","product":"vicut","editType":"image_edit","region":"BD","picture_id":"U7JIA6T0-MOP8-0BEX-3EIT-JCPZ5TJO3ECO","pictureId":"U7JIA6T0-MOP8-0BEX-3EIT-JCPZ5TJO3ECO","capability_name":"capcut_photo_editor"},"tiktok_developers_3p_anchor_params":"{"client_key":"aw889s25wozf8s7e","source_type":"vicut","source_platform":"mobile_2","appVersion":"19.9.0","enterFrom":"new_image","os":"android","product":"vicut","editType":"image_edit","region":"BD","picture_id":"U7JIA6T0-MOP8-0BEX-3EIT-JCPZ5TJO3ECO","pictureId":"U7JIA6T0-MOP8-0BEX-3EIT-JCPZ5TJO3ECO","capability_name":"capcut_photo_editor"}"}

পাবনা প্রতিনিধি

পাবনার আটঘরিয়া থানার মোঃ আল আচানুল কবিরের বিরুদ্ধে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনের এক মামলার তদন্তে স্বজনপ্রীতি ও উভয় পক্ষের কাছ থেকে ঘুষ গ্রহণের গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। মামলাটিতে আইনি সুবিধা ও নিরপেক্ষ তদন্ত প্রতিবেদনের আশ্বাস দিয়ে তিনি বাদী ও বিবাদী দুই পক্ষের কাছ থেকেই দফায় দফায় মোট ৩৫ হাজার টাকা ঘুষ নিয়েছেন বলে জানা গেছে।

মামলা ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, প্রায় ৮ বছর আগে আটঘরিয়া উপজেলার বরুলিয়া গ্রামের রুস্তম আলী প্রামানিকের ছেলে মিঠুর সঙ্গে একই উপজেলার বেরুয়ান গ্রামের নায়েব আলীর মেয়ে রূপা খাতুনের পারিবারিকভাবে বিবাহ হয়। তাদের সংসারে ৫ বছরের একটি কন্যা সন্তান রয়েছে। দাম্পত্য কলহের জেরে গত ১৯ জুলাই ২০২৬ তারিখে রূপা খাতুন পাবনা আদালতে স্বামী মিঠুর বিরুদ্ধে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে একটি মামলা দায়ের করেন। আদালত মামলাটি তদন্তের জন্য আটঘরিয়া থানায় পাঠালে তদন্তভার পান

আটঘরিয়া থানার সেকেন্ড অফিসার মোঃ আল আচানুল কবির । অভিযোগ রয়েছে, তদন্তভার পাওয়ার পর থেকেই মোঃ আল আচানুল কবির

বিভিন্ন অজুহাতে দুই পক্ষের কাছেই অর্থ দাবি করতে থাকেন। মামলায় কাঙ্ক্ষিত আইনি সুবিধা পাইয়ে দেওয়ার কথা বলে তিনি বাদী রূপা খাতুনের কাছ থেকে ১৫ হাজার টাকা গ্রহণ করেন। অপরদিকে, অভিযুক্ত স্বামী মিঠু ও তার দ্বিতীয় স্ত্রীকে মামলা থেকে অব্যাহতি দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়ে বিবাদী পক্ষের কাছ থেকেও ২০ হাজার টাকা হাতিয়ে নেন।

ভুক্তভোগী এক পক্ষ ক্ষোভ প্রকাশ করে জানান সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ তদন্ত প্রতিবেদনের আশায় আমরা তাকে টাকা দিতে বাধ্য হয়েছিলাম। কিন্তু পরবর্তীতে জানতে পারি, তিনি অপর পক্ষের কাছ থেকেও বিপুল অংকের টাকা ঘুষ নিয়েছেন। ঘুষ নিয়েও তিনি কোনো পক্ষের সঠিক কাজ করেননি। এ বিষয়ে অভিযুক্ত মোঃ আল আচানুল কবিরের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি নিজের বিরুদ্ধে ওঠা সব অভিযোগ অস্বীকার করে বিষয়টি এড়িয়ে যান ।

ঘটনার বিষয়ে আটঘরিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা শফিকুজ্জানের সঙ্গে যোগাযোগ করলে তিনি বলেন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সাথে আলোচনা করে এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় আইনগত ও প্রশাসনিক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

থানার সেকেন্ড অফিসারের এমন অপকর্মে স্থানীয় বাসিন্দাদের মাঝে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। এলাকার সচেতন মহল পুলিশের ভাবমূর্তি রক্ষায় ঊর্ধ্বতন পুলিশ কর্তৃপক্ষের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন এবং নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে অভিযুক্ত কর্মকর্তার বিরুদ্ধে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Popular Post

ফরিদপুরে নিষিদ্ধ ঘোষিত চরমপন্থী সংগঠন, সর্বহারা, দলের ক্যাম্প কমান্ডার বছির মল্লিক গ্রেফতার 

আটঘরিয়ায় নারী নির্যাতন মামলার তদন্তে এস আই মোঃ আল আচানুল কবিরের বিরুদ্ধে ঘুষ বাণিজ্যের অভিযোগ   

Update Time : 06:21:53 pm, Friday, 30 October 2026

পাবনা প্রতিনিধি

পাবনার আটঘরিয়া থানার মোঃ আল আচানুল কবিরের বিরুদ্ধে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনের এক মামলার তদন্তে স্বজনপ্রীতি ও উভয় পক্ষের কাছ থেকে ঘুষ গ্রহণের গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। মামলাটিতে আইনি সুবিধা ও নিরপেক্ষ তদন্ত প্রতিবেদনের আশ্বাস দিয়ে তিনি বাদী ও বিবাদী দুই পক্ষের কাছ থেকেই দফায় দফায় মোট ৩৫ হাজার টাকা ঘুষ নিয়েছেন বলে জানা গেছে।

মামলা ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, প্রায় ৮ বছর আগে আটঘরিয়া উপজেলার বরুলিয়া গ্রামের রুস্তম আলী প্রামানিকের ছেলে মিঠুর সঙ্গে একই উপজেলার বেরুয়ান গ্রামের নায়েব আলীর মেয়ে রূপা খাতুনের পারিবারিকভাবে বিবাহ হয়। তাদের সংসারে ৫ বছরের একটি কন্যা সন্তান রয়েছে। দাম্পত্য কলহের জেরে গত ১৯ জুলাই ২০২৬ তারিখে রূপা খাতুন পাবনা আদালতে স্বামী মিঠুর বিরুদ্ধে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে একটি মামলা দায়ের করেন। আদালত মামলাটি তদন্তের জন্য আটঘরিয়া থানায় পাঠালে তদন্তভার পান

আটঘরিয়া থানার সেকেন্ড অফিসার মোঃ আল আচানুল কবির । অভিযোগ রয়েছে, তদন্তভার পাওয়ার পর থেকেই মোঃ আল আচানুল কবির

বিভিন্ন অজুহাতে দুই পক্ষের কাছেই অর্থ দাবি করতে থাকেন। মামলায় কাঙ্ক্ষিত আইনি সুবিধা পাইয়ে দেওয়ার কথা বলে তিনি বাদী রূপা খাতুনের কাছ থেকে ১৫ হাজার টাকা গ্রহণ করেন। অপরদিকে, অভিযুক্ত স্বামী মিঠু ও তার দ্বিতীয় স্ত্রীকে মামলা থেকে অব্যাহতি দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়ে বিবাদী পক্ষের কাছ থেকেও ২০ হাজার টাকা হাতিয়ে নেন।

ভুক্তভোগী এক পক্ষ ক্ষোভ প্রকাশ করে জানান সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ তদন্ত প্রতিবেদনের আশায় আমরা তাকে টাকা দিতে বাধ্য হয়েছিলাম। কিন্তু পরবর্তীতে জানতে পারি, তিনি অপর পক্ষের কাছ থেকেও বিপুল অংকের টাকা ঘুষ নিয়েছেন। ঘুষ নিয়েও তিনি কোনো পক্ষের সঠিক কাজ করেননি। এ বিষয়ে অভিযুক্ত মোঃ আল আচানুল কবিরের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি নিজের বিরুদ্ধে ওঠা সব অভিযোগ অস্বীকার করে বিষয়টি এড়িয়ে যান ।

ঘটনার বিষয়ে আটঘরিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা শফিকুজ্জানের সঙ্গে যোগাযোগ করলে তিনি বলেন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সাথে আলোচনা করে এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় আইনগত ও প্রশাসনিক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

থানার সেকেন্ড অফিসারের এমন অপকর্মে স্থানীয় বাসিন্দাদের মাঝে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। এলাকার সচেতন মহল পুলিশের ভাবমূর্তি রক্ষায় ঊর্ধ্বতন পুলিশ কর্তৃপক্ষের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন এবং নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে অভিযুক্ত কর্মকর্তার বিরুদ্ধে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।