Dhaka 7:46 pm, Friday, 30 October 2026

পাবনার কচুরিপানার আসবাবপত্র রপ্তানি হচ্ছে  

  • Reporter Name
  • Update Time : 12:13:25 pm, Friday, 30 October 2026
  • 14 Time View

বিশ্বের অন্তত ১৫টি রাষ্ট্র। ঔষধি ক্যান্সার প্রতিরোধের গুণাগুণ রয়েছে ।

 

কলমের দর্পণ ডেস্ক :-

বাংলাদেশে কচুরিপানা থেকে তৈরি হস্তশিল্পের ক্রমবর্ধমান জনপ্রিয়তা ও রপ্তানিতে বেশ সাড়া পরেছে । আগাছা থেকে অমূল্য সম্পদ বিশ্ব জয় করেছে বাংলাদেশের কচুরিপানার পণ্য । একসময় যা ছিল খালের পানির ওপর অবহেলিত আগাছা, আজ তাই বিদেশের ড্রয়িংরুমে শোভা পাচ্ছে নান্দনিক শিল্প হিসেবে। বাংলাদেশের নদ-নদী ও হাওর-বাঁওড়ের উপদ্রব হিসেবে পরিচিত কচুরিপানা এখন বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনের অন্যতম হাতিয়ার হয়ে উঠেছে। পরিবেশবান্ধব এই পণ্য রপ্তানি করে গ্রামীণ জনপদে তৈরি হয়েছে নতুন কর্মসংস্থান, বিশেষ করে পাল্টে গেছে হাজারো নারীর জীবন। পন্য তালিকায় যা রয়েছে কচুরিপানার কান্ড রোদে শুকিয়ে তৈরি করা আশ দিয়ে তৈরি হচ্ছে বিচিত্র সব পণ্য । এর মধ্যে রয়েছে গৃহসজ্জার সামগ্রী । ঝুড়ি ফুলদানি, কুশন

ব্যাগ ও অ্যাক্সেসরিজ টেবিল ম্যাট। ফ্যাশান পণ্যের মধ্যে রয়েছে লেডিস হ্যান্ডব্যাগ, স্যান্ডেল ও টুপি। অফিস সামগ্রীর মধ্যে রয়েছে নোটবুক কভার, ফাইল ফোল্ডার এবং পাপোশ। বিশ্ববাজারে চাহিদা ও রপ্তানি প্লাস্টিক পণ্যের বিকল্প হিসেবে বিশ্বজুড়ে এখন পরিবেশবান্ধব পণ্যের ব্যাপক চাহিদা । বাংলাদেশের কচুরিপানা দিয়ে তৈরি এই পন্যগুলো বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্র যুক্তরাজ্য জার্মানির নেদারল্যান্ডস জাপান এবং ফ্রান্স সহ বিশ্বের অন্তত ১৫টি দেশে রপ্তানি হচ্ছে। আন্তর্জাতিক বাজারে টেকসই গঠন এবং প্রাকৃতিক রঙ্গের কারণে বিদেশি ক্রেতাদের কাছে এটি ওয়াটার হাইসিন্থ ক্রাফট হিসেবে বিশেষ সমাদর পাচ্ছে । গ্রামীণ অর্থনীতিতে প্রভাব রয়েছে এমন নিচু এলাকায় যেখানে বছরে অনেক সময় পানি থাকে সেই সব এলাকায় এই কচুরিপানা আশীর্বাদ হয়ে দাঁড়িয়েছে । পাবনার স্থানীয় উদ্যোক্তারা জানান আগে এই কচুরিপানা পরিষ্কার করতে কৃষকদের টাকা খরচ করতে হতো । আর এখন এটি সংগ্রহ করে শুকিয়ে বিক্রি করা যাচ্ছে । এই শিল্পের সাথে সংশ্লিষ্ট পাবনার নারী কারিগররা জানান, ঘরকন্যার কাজের পাশাপাশি তারা এই পণ্য তৈরি করে মাসে ৫ থেকে ১০ হাজার টাকা অতিরিক্ত আয় করছেন। এটি নারী ক্ষমতায়নেও বড় ভূমিকা রাখছে। সম্ভাবনা ও চ্যালেঞ্জ রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরো ইপিবির তথ্য মতে হস্তশিল্প খাতের এই নতুন সংযোজন আগামী কয়েক বছরে রপ্তানি আয়ে বড় অবদান রাখবে । তবে উদ্যোক্তাদের মতে আধুনিক ডিজাইনের প্রশিক্ষণ এবং আরো সহজ শর্তে ঋণ সুবিধা পেলে এই খাতকে তৈরি পোশাক শিল্পের মতো একটি শক্তিশালী রপ্তানি খাতে রূপান্তর করা সম্ভব ।

পরিবেশবিদদের মতে, কচুরিপানা ব্যবহার করে পণ্য তৈরি একদিকে যেমন দূষণ কমাবে, অন্যদিকে রাসায়নিক ফাইবারের ওপর নির্ভরতা কমিয়ে টেকসই ভবিষ্যৎ নিশ্চিত করবে। উত্তরবঙ্গের প্রবেশদ্বার পাবনায় কচুরিপানা দিয়ে পণ্য তৈরি একটি বিশাল বিপ্লব ঘটতে চলেছে । পাবনার কারিগররা বর্তমানে বিদেশের চাহিদার কথা মাথায় রেখে নির্দিষ্ট কিছু পণ্য বেশি তৈরি করছেন বড় লন্ডি বাস্কেট ডাইনিং সেট টেবিল ম্যাট রুটির বাটি ও ফুলের ঝুড়ি যা ইউরোপের শপিংমলে ব্যাপক জনপ্রিয়তা পেয়েছে । এ ছাড়াও ঝুড়ি ফুলের টব পাপস ঘর সাজানোর সামগ্রী বালতি সাধারণত শৌখিন সামগ্রী হিসেবে ফুলের দানি ট্রে ল্যাম্পশেড কোস্টার জুয়েলারি বক্স টিস্যু বক্স আসবাব পত্রের মধ্যে চেয়ার টুল অটোমান । কচুরিপানা থেকে কাগজ তৈরি করা হয়। এই কাগজ দিয়ে তৈরি হয় নোটবুক ।

এক সময় পাবনার বিল ও জলাশয়গুলোতে কচুরিপানা ছিল কৃষকের গলার কাঁটা। আবাদি জমি কিংবা মাছের ঘের থেকে কচুরিপানা সরাতে গুণতে হতো বাড়তি টাকা। কিন্তু সময়ের ব্যবধানে সেই দৃশ্যপট বদলে গেছে। ঈশ্বরদী উপজেলার দাশুড়িয়া এলাকায় নারীদের হাতের জাদুতে সেই অবহেলিত কচুরিপানা এখন রূপ নিয়েছে বহুমূল্যবান পণ্যে।

স্থানীয় সূত্র জানায়, কয়েক বছর আগে হাতেগোনা কিছু নারী প্রশিক্ষণ নিয়ে এই কাজ শুরু করলেও এখন জেলার শত শত পরিবার এর সাথে যুক্ত। বিশেষ করে পদ্মা নদী ভাঙন কবলিত চরাঞ্চলের নারীদের জন্য এটি আয়ের প্রধান উৎস হয়ে দাঁড়িয়েছে। বিল থেকে কচুরিপানা সংগ্রহ করে তার ডাঁটা রোদে শুকিয়ে দীর্ঘ রশি বা আঁশ তৈরি করে । পরে লোহার বা বাঁশের ফ্রেমের ওপর সেই আঁশ পেঁচিয়ে তৈরি হয় নান্দনিক সব পণ্য। এ ছাড়াও

কচুরিপানার ঔষধি গুনাগুন রয়েছে ।কচুরিপানার মধ্যে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট, অ্যান্টি-ইনফ্ল্যামেটরি, এবং অন্যান্য জৈব-সক্রিয় উপাদান রয়েছে যা ক্যান্সার বিরোধী কার্যকারিতায় যথেষ্ট ভূমিকা রাখে ।

বিভিন্ন গবেষণায় জানা যায় কচুরিপানার পাতার মিথানল নির্যাস এবং অন্যান্য অংশ মানুষের বিভিন্ন ক্যান্সার কোষের যেমন জরায়ুর ক্যান্সার স্তন ক্যান্সার ফুসফুসের ক্যান্সার লিভার ক্যান্সার এবং মেলানোমা এবং সেলের উপর কাজ করে থাকে ।

কচুরিপানায় ক্যান্সার বিরোধী উপাদান রয়েছে এবং তা নিয়ে বিজ্ঞানীরা গবেষণা করছেন।

তারা ক্যান্সারের ওষুধের জেনেরিক সংস্করণ তৈরি করেছে যা বিদেশী ওষুধের তুলনায় অনেক সাশ্রয়ী। এদিকে কচুরিপানার ফুল থেকে ক্যান্সারের ঔষধ তৈরি করে ইতিমধ্যেই বাজারজাত করছে বিকন ফার্মাসিউটিক্যালস।

তারা ২০০৭ সালে আন্তর্জাতিক মানের ক্যান্সার প্ল্যান্ট প্রতিষ্ঠা করে এবং ২০০৯ সালে প্রথম ক্যান্সারের ওষুধ বাজারে নিয়ে আসে। বাংলাদেশের কচুরিপানা বিপ্লবের এক নতুন হাতছানি । বিশেষ করে পাবনার জন্য সৌভাগ্য বয়ে এনেছে বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনের । সরকারিভাবে সুদৃষ্টি দিলে এই শিল্পকে আরো ব্যাপক পরিষর ও নতুন নতুন উদ্যোক্তা সৃষ্টি হবে যা অর্থনৈতিক বাজারে ব্যাপক সাড়া পড়বে ।

 

 

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Popular Post

ফরিদপুরে নিষিদ্ধ ঘোষিত চরমপন্থী সংগঠন, সর্বহারা, দলের ক্যাম্প কমান্ডার বছির মল্লিক গ্রেফতার 

পাবনার কচুরিপানার আসবাবপত্র রপ্তানি হচ্ছে  

Update Time : 12:13:25 pm, Friday, 30 October 2026

বিশ্বের অন্তত ১৫টি রাষ্ট্র। ঔষধি ক্যান্সার প্রতিরোধের গুণাগুণ রয়েছে ।

 

কলমের দর্পণ ডেস্ক :-

বাংলাদেশে কচুরিপানা থেকে তৈরি হস্তশিল্পের ক্রমবর্ধমান জনপ্রিয়তা ও রপ্তানিতে বেশ সাড়া পরেছে । আগাছা থেকে অমূল্য সম্পদ বিশ্ব জয় করেছে বাংলাদেশের কচুরিপানার পণ্য । একসময় যা ছিল খালের পানির ওপর অবহেলিত আগাছা, আজ তাই বিদেশের ড্রয়িংরুমে শোভা পাচ্ছে নান্দনিক শিল্প হিসেবে। বাংলাদেশের নদ-নদী ও হাওর-বাঁওড়ের উপদ্রব হিসেবে পরিচিত কচুরিপানা এখন বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনের অন্যতম হাতিয়ার হয়ে উঠেছে। পরিবেশবান্ধব এই পণ্য রপ্তানি করে গ্রামীণ জনপদে তৈরি হয়েছে নতুন কর্মসংস্থান, বিশেষ করে পাল্টে গেছে হাজারো নারীর জীবন। পন্য তালিকায় যা রয়েছে কচুরিপানার কান্ড রোদে শুকিয়ে তৈরি করা আশ দিয়ে তৈরি হচ্ছে বিচিত্র সব পণ্য । এর মধ্যে রয়েছে গৃহসজ্জার সামগ্রী । ঝুড়ি ফুলদানি, কুশন

ব্যাগ ও অ্যাক্সেসরিজ টেবিল ম্যাট। ফ্যাশান পণ্যের মধ্যে রয়েছে লেডিস হ্যান্ডব্যাগ, স্যান্ডেল ও টুপি। অফিস সামগ্রীর মধ্যে রয়েছে নোটবুক কভার, ফাইল ফোল্ডার এবং পাপোশ। বিশ্ববাজারে চাহিদা ও রপ্তানি প্লাস্টিক পণ্যের বিকল্প হিসেবে বিশ্বজুড়ে এখন পরিবেশবান্ধব পণ্যের ব্যাপক চাহিদা । বাংলাদেশের কচুরিপানা দিয়ে তৈরি এই পন্যগুলো বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্র যুক্তরাজ্য জার্মানির নেদারল্যান্ডস জাপান এবং ফ্রান্স সহ বিশ্বের অন্তত ১৫টি দেশে রপ্তানি হচ্ছে। আন্তর্জাতিক বাজারে টেকসই গঠন এবং প্রাকৃতিক রঙ্গের কারণে বিদেশি ক্রেতাদের কাছে এটি ওয়াটার হাইসিন্থ ক্রাফট হিসেবে বিশেষ সমাদর পাচ্ছে । গ্রামীণ অর্থনীতিতে প্রভাব রয়েছে এমন নিচু এলাকায় যেখানে বছরে অনেক সময় পানি থাকে সেই সব এলাকায় এই কচুরিপানা আশীর্বাদ হয়ে দাঁড়িয়েছে । পাবনার স্থানীয় উদ্যোক্তারা জানান আগে এই কচুরিপানা পরিষ্কার করতে কৃষকদের টাকা খরচ করতে হতো । আর এখন এটি সংগ্রহ করে শুকিয়ে বিক্রি করা যাচ্ছে । এই শিল্পের সাথে সংশ্লিষ্ট পাবনার নারী কারিগররা জানান, ঘরকন্যার কাজের পাশাপাশি তারা এই পণ্য তৈরি করে মাসে ৫ থেকে ১০ হাজার টাকা অতিরিক্ত আয় করছেন। এটি নারী ক্ষমতায়নেও বড় ভূমিকা রাখছে। সম্ভাবনা ও চ্যালেঞ্জ রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরো ইপিবির তথ্য মতে হস্তশিল্প খাতের এই নতুন সংযোজন আগামী কয়েক বছরে রপ্তানি আয়ে বড় অবদান রাখবে । তবে উদ্যোক্তাদের মতে আধুনিক ডিজাইনের প্রশিক্ষণ এবং আরো সহজ শর্তে ঋণ সুবিধা পেলে এই খাতকে তৈরি পোশাক শিল্পের মতো একটি শক্তিশালী রপ্তানি খাতে রূপান্তর করা সম্ভব ।

পরিবেশবিদদের মতে, কচুরিপানা ব্যবহার করে পণ্য তৈরি একদিকে যেমন দূষণ কমাবে, অন্যদিকে রাসায়নিক ফাইবারের ওপর নির্ভরতা কমিয়ে টেকসই ভবিষ্যৎ নিশ্চিত করবে। উত্তরবঙ্গের প্রবেশদ্বার পাবনায় কচুরিপানা দিয়ে পণ্য তৈরি একটি বিশাল বিপ্লব ঘটতে চলেছে । পাবনার কারিগররা বর্তমানে বিদেশের চাহিদার কথা মাথায় রেখে নির্দিষ্ট কিছু পণ্য বেশি তৈরি করছেন বড় লন্ডি বাস্কেট ডাইনিং সেট টেবিল ম্যাট রুটির বাটি ও ফুলের ঝুড়ি যা ইউরোপের শপিংমলে ব্যাপক জনপ্রিয়তা পেয়েছে । এ ছাড়াও ঝুড়ি ফুলের টব পাপস ঘর সাজানোর সামগ্রী বালতি সাধারণত শৌখিন সামগ্রী হিসেবে ফুলের দানি ট্রে ল্যাম্পশেড কোস্টার জুয়েলারি বক্স টিস্যু বক্স আসবাব পত্রের মধ্যে চেয়ার টুল অটোমান । কচুরিপানা থেকে কাগজ তৈরি করা হয়। এই কাগজ দিয়ে তৈরি হয় নোটবুক ।

এক সময় পাবনার বিল ও জলাশয়গুলোতে কচুরিপানা ছিল কৃষকের গলার কাঁটা। আবাদি জমি কিংবা মাছের ঘের থেকে কচুরিপানা সরাতে গুণতে হতো বাড়তি টাকা। কিন্তু সময়ের ব্যবধানে সেই দৃশ্যপট বদলে গেছে। ঈশ্বরদী উপজেলার দাশুড়িয়া এলাকায় নারীদের হাতের জাদুতে সেই অবহেলিত কচুরিপানা এখন রূপ নিয়েছে বহুমূল্যবান পণ্যে।

স্থানীয় সূত্র জানায়, কয়েক বছর আগে হাতেগোনা কিছু নারী প্রশিক্ষণ নিয়ে এই কাজ শুরু করলেও এখন জেলার শত শত পরিবার এর সাথে যুক্ত। বিশেষ করে পদ্মা নদী ভাঙন কবলিত চরাঞ্চলের নারীদের জন্য এটি আয়ের প্রধান উৎস হয়ে দাঁড়িয়েছে। বিল থেকে কচুরিপানা সংগ্রহ করে তার ডাঁটা রোদে শুকিয়ে দীর্ঘ রশি বা আঁশ তৈরি করে । পরে লোহার বা বাঁশের ফ্রেমের ওপর সেই আঁশ পেঁচিয়ে তৈরি হয় নান্দনিক সব পণ্য। এ ছাড়াও

কচুরিপানার ঔষধি গুনাগুন রয়েছে ।কচুরিপানার মধ্যে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট, অ্যান্টি-ইনফ্ল্যামেটরি, এবং অন্যান্য জৈব-সক্রিয় উপাদান রয়েছে যা ক্যান্সার বিরোধী কার্যকারিতায় যথেষ্ট ভূমিকা রাখে ।

বিভিন্ন গবেষণায় জানা যায় কচুরিপানার পাতার মিথানল নির্যাস এবং অন্যান্য অংশ মানুষের বিভিন্ন ক্যান্সার কোষের যেমন জরায়ুর ক্যান্সার স্তন ক্যান্সার ফুসফুসের ক্যান্সার লিভার ক্যান্সার এবং মেলানোমা এবং সেলের উপর কাজ করে থাকে ।

কচুরিপানায় ক্যান্সার বিরোধী উপাদান রয়েছে এবং তা নিয়ে বিজ্ঞানীরা গবেষণা করছেন।

তারা ক্যান্সারের ওষুধের জেনেরিক সংস্করণ তৈরি করেছে যা বিদেশী ওষুধের তুলনায় অনেক সাশ্রয়ী। এদিকে কচুরিপানার ফুল থেকে ক্যান্সারের ঔষধ তৈরি করে ইতিমধ্যেই বাজারজাত করছে বিকন ফার্মাসিউটিক্যালস।

তারা ২০০৭ সালে আন্তর্জাতিক মানের ক্যান্সার প্ল্যান্ট প্রতিষ্ঠা করে এবং ২০০৯ সালে প্রথম ক্যান্সারের ওষুধ বাজারে নিয়ে আসে। বাংলাদেশের কচুরিপানা বিপ্লবের এক নতুন হাতছানি । বিশেষ করে পাবনার জন্য সৌভাগ্য বয়ে এনেছে বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনের । সরকারিভাবে সুদৃষ্টি দিলে এই শিল্পকে আরো ব্যাপক পরিষর ও নতুন নতুন উদ্যোক্তা সৃষ্টি হবে যা অর্থনৈতিক বাজারে ব্যাপক সাড়া পড়বে ।