Dhaka 5:25 pm, Tuesday, 15 September 2026

মহাসড়কের পাশে ময়লার দুর্গন্ধে অতিষ্ঠ জনজীবন।

  • Reporter Name
  • Update Time : 08:00:57 pm, Friday, 1 May 2026
  • 297 Time View

মোঃ শাহ্ আলম সরকার
স্টাফ রিপোর্টার।
গাজীপুর কালিয়াকৈর পৌরসভা প্রথম শ্রেনীর পৌরসভা হলেও এ পৌরসভার নাগরিকরা সেবা থেকে বঞ্চিত। শিল্পাঞ্চল হওয়ার সুবাধে এখানে লোকজনের বসবাস বেশি। বর্তমানে পৌরসভার প্রায় ৯টি ওয়ার্ডের বিভিন্ন সড়কের মোড়ে মোড়ে বাসাবাড়ীর ময়লা আবর্জনা স্তুপ আকারে ফেলে রাখা হয়েছে।
এ থেকে রক্ষা পায়নি ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কে চলাচলরত পথচারী ও যাত্রীরা। দুই পাশ। আর এসব ময়লা আবর্জনার দুর্গন্ধে দুষিত হচ্ছে পরিবেশ। লোকজনদের নাক চেপে চলাচল করতে হচ্ছে। এতে জনগনের চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। ময়লা আবর্জনা অপসারনে পৌর কর্তৃপক্ষ যেন দায়সারা কাজ করছে। পৌরবাসীর অভিযোগ নিয়মিত কর পরিশোধ করেও কাঙ্খিত সেবা পাওয়া যাচ্ছে না।
জানা যায়, ১থেকে৯টি ওয়ার্ড নিয়ে গঠিত কালিয়াকৈর পৌরসভা। শিল্পাঞ্চল হওয়ার সুবাধে প্রথম শ্রেনীর এ পৌরসভায় বিভিন্ন জেলার লোকজনের বসবাস এখানে।পতিত সরকারে বিদায়ের কিছুদিন পর পর পৌরসভার মেয়র ও কাউন্সিলরদেও পদ শুন্য হয়। আর সে থেকেই পৌরসভার নাগরিকরা উন্নয়ন সেবা থকে শুরু করে নানা ধরনের সেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। বিশেষ করে বিশাল আয়তনের পৌরসভার বাসা বাড়ীর ময়লা আবর্জনা এখন পৌরসভার নাগরিকদের গলার কাট হয়ে দাড়িয়েছে। পৌরসভার প্রায় বেশির ভাগ সড়কের মোড়ে মোড়ে বাসাবাড়ী ময়লা আবর্জনা স্তুপ আকারে ফেলে রাখা। আর এসব ময়লা আবর্জনার পচা দুর্গন্ধে দুষিত হচ্ছে পরিবেশ। লোকজনদের নাক চেপে চলাচল করতে হচ্ছে।
সিরমেক্স রাস্তার পাশে ও সফিপুর-বড়ইবাড়ী সড়কের পৌরসভার ৮ নং ওয়ার্ডে জালাল গেইটের পাশে সড়কের উপর বাসা বাড়ীর পচা ময়লা আবর্জনা ফেলে রাখা হয়েছে। এতে ওই সড়ক দিয়ে চলাচলরত পথচারী এবং যানবাহনের যাত্রীদের নাক চেপে চলতে হচ্ছে। বিশেষ করে বর্ষা মৌসুমে সড়কের ওই স্থানে চলাচল বৃষ্টির পানি এবং পচা ময়লা আবর্জনা প্রতিনিয়তই দুর্ঘটনা শিকার হয়। এছাড়া হরিণহাটি, সফিপুর বাজার এলাকাসহ বেশ কিছু জায়গায় সড়কের পাশে ময়লা ফেলে রাখা হয়। এথেকে পরিত্রান পায়নি ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কের চলাচলরত পথচারী যাত্রীরা। মহাসড়কের খাড়াজোরা এলাকায় খাড়াজোড়া উরাল সেতুর পাশে মহাসড়ক থেকে পৌরসভার বিভিন্ন এলাকায় ময়লা আবর্জনা ফেলা হচ্ছে। ময়লার দুর্গন্ধে যানবাহনের যাত্রী ও পথচারীদের চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। ওই ময়লার স্তুপের পাশে হাইটেক সিটি এবয় হাইটেক রেল ষ্টেশন রয়েছে। এয়াড়া উরাল সেতুর পাশে রয়েছে দোকান পাট। লোকজনকে খুব কষ্ট করে দুর্গন্ধ সয্য করতে হচ্ছে।
সাইম নামের এক পথচারী বলেন, এমন একটা জায়গায় এধরনের ময়লা ফালানো উচিত না। আমাদের নাক চেপে চলাচল করতে হয়। পচা দুর্গন্ধে অতিষ্ট হয়ে উঠেছি। অনেকে নানা রোগে আক্রান্ত হচ্ছে।
বনশ্রী পরিবহনের এক যাত্রী বলেন, এ মহাসড়ক দিয়ে শত শত যানবাহন চলাচল করে। সড়কের ওই স্থানে আসলে ময়লার গন্ধে বাসের ভেতর বসে থাকা যায় না। অনেকে বাসের ভেতর বমি করে দিচ্ছে। বিশেষ করে শিশুরা গন্ধে অসুস্থ্য হয়ে পড়ে।
বাস চালক মনির মিয়া বলেন, মহাসড়কের বিভিন্ন জায়গায় পৌরসভার বিভিন্ন বাসা বাড়ীর ময়লা ফেলে রাখা হয়েছে। ওই সব ময়লার দুর্গন্ধে নাক চেপে ধরবো না কি গাড়ির গতি নিয়ন্ত্রন রাখবো। সব মিলিয়ে ময়লার কথা বলে শেষ নাই। দ্রুত এগুলো মহাসড়কের পাশ থেকে অপসারনের দাবি জানাচ্ছি।
কালিয়াকৈর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও পৌর প্রশাসক এ এইচ এম ফখরুল হোসাইন বলেন, ডাম্পিং ষ্টেশনের জন্য একটি প্রস্তাবনা রয়েছে। ডাম্পিংষ্টেশন বাস্তবায়ন হলে আশাকরি বর্জব্যস্থাপনা সুন্দর ভাবে সম্পন্ন হবে।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Popular Post

নওগাঁর পাঁচ পুলিশ কর্মকর্তা পেলেন রেঞ্জ ডিআইজির সম্মাননা ।

মহাসড়কের পাশে ময়লার দুর্গন্ধে অতিষ্ঠ জনজীবন।

Update Time : 08:00:57 pm, Friday, 1 May 2026

মোঃ শাহ্ আলম সরকার
স্টাফ রিপোর্টার।
গাজীপুর কালিয়াকৈর পৌরসভা প্রথম শ্রেনীর পৌরসভা হলেও এ পৌরসভার নাগরিকরা সেবা থেকে বঞ্চিত। শিল্পাঞ্চল হওয়ার সুবাধে এখানে লোকজনের বসবাস বেশি। বর্তমানে পৌরসভার প্রায় ৯টি ওয়ার্ডের বিভিন্ন সড়কের মোড়ে মোড়ে বাসাবাড়ীর ময়লা আবর্জনা স্তুপ আকারে ফেলে রাখা হয়েছে।
এ থেকে রক্ষা পায়নি ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কে চলাচলরত পথচারী ও যাত্রীরা। দুই পাশ। আর এসব ময়লা আবর্জনার দুর্গন্ধে দুষিত হচ্ছে পরিবেশ। লোকজনদের নাক চেপে চলাচল করতে হচ্ছে। এতে জনগনের চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। ময়লা আবর্জনা অপসারনে পৌর কর্তৃপক্ষ যেন দায়সারা কাজ করছে। পৌরবাসীর অভিযোগ নিয়মিত কর পরিশোধ করেও কাঙ্খিত সেবা পাওয়া যাচ্ছে না।
জানা যায়, ১থেকে৯টি ওয়ার্ড নিয়ে গঠিত কালিয়াকৈর পৌরসভা। শিল্পাঞ্চল হওয়ার সুবাধে প্রথম শ্রেনীর এ পৌরসভায় বিভিন্ন জেলার লোকজনের বসবাস এখানে।পতিত সরকারে বিদায়ের কিছুদিন পর পর পৌরসভার মেয়র ও কাউন্সিলরদেও পদ শুন্য হয়। আর সে থেকেই পৌরসভার নাগরিকরা উন্নয়ন সেবা থকে শুরু করে নানা ধরনের সেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। বিশেষ করে বিশাল আয়তনের পৌরসভার বাসা বাড়ীর ময়লা আবর্জনা এখন পৌরসভার নাগরিকদের গলার কাট হয়ে দাড়িয়েছে। পৌরসভার প্রায় বেশির ভাগ সড়কের মোড়ে মোড়ে বাসাবাড়ী ময়লা আবর্জনা স্তুপ আকারে ফেলে রাখা। আর এসব ময়লা আবর্জনার পচা দুর্গন্ধে দুষিত হচ্ছে পরিবেশ। লোকজনদের নাক চেপে চলাচল করতে হচ্ছে।
সিরমেক্স রাস্তার পাশে ও সফিপুর-বড়ইবাড়ী সড়কের পৌরসভার ৮ নং ওয়ার্ডে জালাল গেইটের পাশে সড়কের উপর বাসা বাড়ীর পচা ময়লা আবর্জনা ফেলে রাখা হয়েছে। এতে ওই সড়ক দিয়ে চলাচলরত পথচারী এবং যানবাহনের যাত্রীদের নাক চেপে চলতে হচ্ছে। বিশেষ করে বর্ষা মৌসুমে সড়কের ওই স্থানে চলাচল বৃষ্টির পানি এবং পচা ময়লা আবর্জনা প্রতিনিয়তই দুর্ঘটনা শিকার হয়। এছাড়া হরিণহাটি, সফিপুর বাজার এলাকাসহ বেশ কিছু জায়গায় সড়কের পাশে ময়লা ফেলে রাখা হয়। এথেকে পরিত্রান পায়নি ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কের চলাচলরত পথচারী যাত্রীরা। মহাসড়কের খাড়াজোরা এলাকায় খাড়াজোড়া উরাল সেতুর পাশে মহাসড়ক থেকে পৌরসভার বিভিন্ন এলাকায় ময়লা আবর্জনা ফেলা হচ্ছে। ময়লার দুর্গন্ধে যানবাহনের যাত্রী ও পথচারীদের চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। ওই ময়লার স্তুপের পাশে হাইটেক সিটি এবয় হাইটেক রেল ষ্টেশন রয়েছে। এয়াড়া উরাল সেতুর পাশে রয়েছে দোকান পাট। লোকজনকে খুব কষ্ট করে দুর্গন্ধ সয্য করতে হচ্ছে।
সাইম নামের এক পথচারী বলেন, এমন একটা জায়গায় এধরনের ময়লা ফালানো উচিত না। আমাদের নাক চেপে চলাচল করতে হয়। পচা দুর্গন্ধে অতিষ্ট হয়ে উঠেছি। অনেকে নানা রোগে আক্রান্ত হচ্ছে।
বনশ্রী পরিবহনের এক যাত্রী বলেন, এ মহাসড়ক দিয়ে শত শত যানবাহন চলাচল করে। সড়কের ওই স্থানে আসলে ময়লার গন্ধে বাসের ভেতর বসে থাকা যায় না। অনেকে বাসের ভেতর বমি করে দিচ্ছে। বিশেষ করে শিশুরা গন্ধে অসুস্থ্য হয়ে পড়ে।
বাস চালক মনির মিয়া বলেন, মহাসড়কের বিভিন্ন জায়গায় পৌরসভার বিভিন্ন বাসা বাড়ীর ময়লা ফেলে রাখা হয়েছে। ওই সব ময়লার দুর্গন্ধে নাক চেপে ধরবো না কি গাড়ির গতি নিয়ন্ত্রন রাখবো। সব মিলিয়ে ময়লার কথা বলে শেষ নাই। দ্রুত এগুলো মহাসড়কের পাশ থেকে অপসারনের দাবি জানাচ্ছি।
কালিয়াকৈর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও পৌর প্রশাসক এ এইচ এম ফখরুল হোসাইন বলেন, ডাম্পিং ষ্টেশনের জন্য একটি প্রস্তাবনা রয়েছে। ডাম্পিংষ্টেশন বাস্তবায়ন হলে আশাকরি বর্জব্যস্থাপনা সুন্দর ভাবে সম্পন্ন হবে।