Dhaka 9:32 pm, Thursday, 17 September 2026
জ্বালানি নিরাপত্তায় ফুলবাড়ী কয়লা খনি নিয়ে নতুন করে আলোচনা, তবে স্থানীয়দের দাবি—খনি নয়, আগে নিশ্চিত করতে হবে ক্ষতিগ্রস্তদের ন্যায্য পুনর্বাসন।

জ্বালানি সংকটে ফের ফুলবাড়ি খনি প্রসঙ্গ : তবে আগে পুনর্বাসন

 

স্টাফ রিপোর্টার ঃ দেশের তীব্র জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় আবারও আলোচনায় এসেছে দিনাজপুরের কয়লা খনির কথা । আমদানিকৃত কয়লার ওপর নির্ভরতা কমাতে দেশীয় কয়লা উত্তোলনে জোর দিচ্ছে সরকার। জানা গেছে, বাংলাদেশ ভূ-তাত্ত্বিক জরিপ অধিদপ্তর (জিএসবি) ১৯৮৫ সালে পার্বতীপুর উপজেলায় বড়পুকুরিয়া কয়লা খনিটি আবিষ্কার করে। সেখানে ভূগর্ভস্থ পদ্ধতিতে ২০০৫ সালের সেপ্টেম্বর থেকে বাণিজ্যিকভাবে কয়লা উত্তোলন শুরু হয়। এই নিয়ে বর্তমানে ফুলবাড়ী এবং বড়পুকুরিয়ার উত্তর অংশে উন্মুক্ত পদ্ধতিতে কয়লা উত্তোলনের পরিকল্পনাটি নতুন করে আলোচনায় এসেছে। এটি যুক্তরাজ্যের জিসিএম রিসোর্সেস (সাবেক এশিয়া এনার্জি) চীনা প্রতিষ্ঠান পাওয়ারচায়নার সাথে যৌথভাবে খনি থেকে কয়লা উত্তোলন ও বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণের পরিকল্পনা নিয়ে সরকারের সাথে আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছে। এ বিষয়ে সরকারের অবস্থান স্পষ্ট করে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান জাতীয় সংসদে জানিয়েছেন, উন্মুক্ত পদ্ধতিতে কাজ শুরুর আগে স্থানীয় ক্ষতিগ্রস্তদের পুনর্বাসন ও ক্ষতিপূরণ শতভাগ নিশ্চিত করা হবে। পরিবেশগত সুরক্ষা নিশ্চিত না করে কোনো খনিতে কাজ শুরু হবে না। উল্লেখ্য, উন্মুক্ত পদ্ধতির বিরোধিতা করে ২০০৬ সালের ২৬ আগস্ট ফুলবাড়ীতে আন্দোলন হয়। ওই দিন সংঘর্ষ ও গুলিতে তিন যুবক নিহত হন। এরপর সরকারের সাথে আন্দোলনকারীদের ছয় দফা সমঝোতা হয়। প্রতিবছর ২৬ আগস্ট ফুলবাড়ী ট্র্যাজেডি দিবস পালন করে আসছে । তবে এ নিয়ে সরকার এখন জ্বালানি নিরাপত্তা ও পরিবেশ সুরক্ষার মধ্যে ভারসাম্য রেখে এগোনোর উপায় খুঁজছে বলে জানা গেছে।

 

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Popular Post

ভূরুঙ্গামারীতে মাদকের বিরুদ্ধে অবস্থান নেওয়ায় ছয়জনের বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ

জ্বালানি নিরাপত্তায় ফুলবাড়ী কয়লা খনি নিয়ে নতুন করে আলোচনা, তবে স্থানীয়দের দাবি—খনি নয়, আগে নিশ্চিত করতে হবে ক্ষতিগ্রস্তদের ন্যায্য পুনর্বাসন।

জ্বালানি সংকটে ফের ফুলবাড়ি খনি প্রসঙ্গ : তবে আগে পুনর্বাসন

Update Time : 08:57:04 pm, Thursday, 17 September 2026

 

স্টাফ রিপোর্টার ঃ দেশের তীব্র জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় আবারও আলোচনায় এসেছে দিনাজপুরের কয়লা খনির কথা । আমদানিকৃত কয়লার ওপর নির্ভরতা কমাতে দেশীয় কয়লা উত্তোলনে জোর দিচ্ছে সরকার। জানা গেছে, বাংলাদেশ ভূ-তাত্ত্বিক জরিপ অধিদপ্তর (জিএসবি) ১৯৮৫ সালে পার্বতীপুর উপজেলায় বড়পুকুরিয়া কয়লা খনিটি আবিষ্কার করে। সেখানে ভূগর্ভস্থ পদ্ধতিতে ২০০৫ সালের সেপ্টেম্বর থেকে বাণিজ্যিকভাবে কয়লা উত্তোলন শুরু হয়। এই নিয়ে বর্তমানে ফুলবাড়ী এবং বড়পুকুরিয়ার উত্তর অংশে উন্মুক্ত পদ্ধতিতে কয়লা উত্তোলনের পরিকল্পনাটি নতুন করে আলোচনায় এসেছে। এটি যুক্তরাজ্যের জিসিএম রিসোর্সেস (সাবেক এশিয়া এনার্জি) চীনা প্রতিষ্ঠান পাওয়ারচায়নার সাথে যৌথভাবে খনি থেকে কয়লা উত্তোলন ও বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণের পরিকল্পনা নিয়ে সরকারের সাথে আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছে। এ বিষয়ে সরকারের অবস্থান স্পষ্ট করে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান জাতীয় সংসদে জানিয়েছেন, উন্মুক্ত পদ্ধতিতে কাজ শুরুর আগে স্থানীয় ক্ষতিগ্রস্তদের পুনর্বাসন ও ক্ষতিপূরণ শতভাগ নিশ্চিত করা হবে। পরিবেশগত সুরক্ষা নিশ্চিত না করে কোনো খনিতে কাজ শুরু হবে না। উল্লেখ্য, উন্মুক্ত পদ্ধতির বিরোধিতা করে ২০০৬ সালের ২৬ আগস্ট ফুলবাড়ীতে আন্দোলন হয়। ওই দিন সংঘর্ষ ও গুলিতে তিন যুবক নিহত হন। এরপর সরকারের সাথে আন্দোলনকারীদের ছয় দফা সমঝোতা হয়। প্রতিবছর ২৬ আগস্ট ফুলবাড়ী ট্র্যাজেডি দিবস পালন করে আসছে । তবে এ নিয়ে সরকার এখন জ্বালানি নিরাপত্তা ও পরিবেশ সুরক্ষার মধ্যে ভারসাম্য রেখে এগোনোর উপায় খুঁজছে বলে জানা গেছে।