Dhaka 11:11 am, Saturday, 12 September 2026

নওগাঁর ধামুইরহাট থানা পুলিশের অভিযানে হত্যার পরে আগুনে পুড়িয়ে দেওয়া আসামি ২৪ ঘন্টায় আটক।

  • Reporter Name
  • Update Time : 06:20:38 pm, Thursday, 20 August 2026
  • 59 Time View

মোঃ আব্দুল আজিজ শেখ ন‌ওগাঁঃ

নওগাঁর ধামইরহাট থানার খেলনা গ্রামস্থ জনৈক মেরিনা বেগম (৪৫) কে নৃশংসভাবে হত্যা কান্ডের খবর পেয়ে,নওগাঁ জেলা পুলিশ সুপার মোহাম্মদ তারিকুল ইসলাম, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার শরিফ ও ধামুইরহাট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোঃ মিন্টু রহমান কে, এই হত্যা কান্ডের রহস্য উৎঘাটন সহ আসামি কে আটক করার কোঠর ভাবে নির্দেশনা দেন।

নওগাঁ পুলিশ সুপারের নির্দেশনা পাওয়া মাত্র, দ্বায়িত্ব প্রাপ্ত সার্কেল এসপি ও ধামুইরহাট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা , মরদেহ আগুন দিয়ে পুড়িয়ে দেওয়ার ঘটনায় মামলা হওয়ার ১২ ঘন্টার মধ্যে হত্যাকাণ্ডে জড়িত ০২ জন আসামী গ্রেফতার ও হত্যাকান্ডে ব্যবহৃত আলামত উদ্ধার করেছে ধামুইরহাট থানা পুলিশ।

১৮ আগস্ট সন্ধ্যাট আনুমানিক ০৭.০০ ঘটিকার সময় নওগাঁ পুলিশ সুপার মোহাম্মদ তারিকুল ইসলাম, গোয়েন্দা তথ্য মারফত এবং পরবর্তীতে ওসি ধামইরহাট থানার মাধ্যমে জানতে পারে যে, ধামইরহাট থানাধীন ২নং আগ্রাদ্বিগুন ইউপির তালপুকুর মাহমুদপুর গ্রামস্থ (ভালকাডাঙ্গা) জনৈক মোসাঃ জাহানারা, স্বামী মৃত আঃ সামাদ, নওগাঁর আমবাগানের ভিতরে গভীর জঙ্গলের মধ্যে একটি আগুনে পোড়া অজ্ঞাত মহিলা লাশ পাওয়া গেছে। সংবাদ পাওয়া মাত্র পুলিশ সুপার দ্রুত অফিসার ইনচার্জ ধামইরহাট থানা এবং পত্নীতলা সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপারকে দ্রুত ঘটনাস্থলে যাওয়ার জন্য নির্দেশনা প্রদান করেন এবং পুলিশ সুপার নিজে বিষয়টি তদারকি শুরু করেন। উল্লেখ্য যে, একই সময় একজন ব্যক্তি কাউসার আলী তার মায়ের নিখোঁজ সংবাদ এর জিডি করার জন্য থানায় আসে।

প্রচন্ড বৃষ্টির মধ্যে থানা পুলিশ ২৫ কিলোমিটার দূরে ঘটনাস্থলে পৌঁছায় সেখানে গিয়ে দেখতে পায় একজন মধ্যবয়সী মহিলার আগুনে পোড়া মৃত দেহ তার পাশে ছড়িয়ে আছে তার নিত্য ব্যবহৃত কিছু প্রসাধনী জিনিস এবং পরিচয় পত্র।অত্র হত্যা মামলাটি একটি ক্লুলেস হত্যা মামলা। অতঃপর থানায় ডায়েরি করতে আসা কাউসার আলী ঘটনাস্থলে এসে সনাক্ত করে যে অজ্ঞাত পরিচয় লাশটি তার মায়ের যে ৩-৪ দিন পূর্বে বাসা থেকে বের হয়ে গেছে। তাৎক্ষনিক সিআইডি ও পিবিআই টিমকে অবহিত করা হয়।

অতঃপর পুরো বিষয়টি পুলিশ গভীরভাবে তদন্ত শুরু করে। তথ্য প্রযুক্তি সহায়তা, স্থানীয় তদন্ত এবং ডাটা বিশ্লেষণ করে পুলিশ কয়েকজনকে সন্দেহ করে। মধ্যরাতের পর অতিরিক্ত পুলিশ সুপার শরীফ এবং অফিসার ইনচার্জ মিন্টুর নেতৃত্বে অভিযান শুরু হয়। প্রচন্ড বৃষ্টির মধ্যে অভিযানে কিছুটা ব্যাঘাত হলেও টানা ছয় সাত ঘন্টা অভিযান করে প্রথমে স্থানীয় সাবেক মেম্বার ১। মোঃ বাবুল হোসেন (৪৯), পিতাঃ সামসুদ্দীন, মাতাঃ সজিমন, সাং-মড়লই, থানাঃ ধামইরহাট, জেলাঃ নওগাঁকে গ্রেফতার করা হয় এবং তাহার তথ্যের ভিত্তিতে পরবর্তীতে অপর তদন্তেপ্রাপ্ত আসামী ২। মোঃ তারেক রহমান (২১), পিতাঃ মোঃ মোজাম্মেল হক, মাতাঃ তহমিনা, সাং-মড়লই, থানাঃ ধামইরহাট, জেলাঃ নওগাঁকে গ্রেফতার করা হয়।

অতঃপর বিশেষ টিম তাদের দুইজনকে ব্যাপক জিজ্ঞাসাবাদের পর হত্যাকাণ্ডে তারা দুজনের জড়িত থাকার বিষয়টি স্বীকার করে। তাদের তথ্যমতে হত্যাকান্ডে ব্যবহৃত আলামত একটি বেল্ট এবং হত্যা পরবর্তী ভিকটিমের অন্যত্র ফেলে দেওয়া জুতার ব্যাগ আসামীদের তথ্য ও দেখানোমতে উদ্ধার করা হয়। বর্নিত আসামীদ্বয় সহ আরও ০২ জন আসামী অত্র হত্যাকান্ডের ঘটনার সহিত জড়িত। এই চারজন মিলে পরিকল্পিতভাবে মেরিনা বেগমকে হত্যা করা হয় এবং তার লাশের পরিচয় নষ্ট করার জন্য পেট্রোল দিয়ে পোড়ানো হয়।

প্রাথমিকভাবে তদন্তে জানা যায় যে, অত্র মামলার বাদী মেরিনা বেগমের ছেলে মোঃ কাউসার আলী ও ভিকটিমের স্বামী মোঃ হাছেন আলী (৫৫) জীবিকা নির্বাহের তাগিদে কুমিল্লায় অবস্থান করেন। গত ইং ১৪/০৮/২০২৬ তারিখ বেলা অনুমান ১১.৩০ ঘটিকার সময় বাদীর মা মেরিনা বেগম (৪৫) গরুর জন্য ঘাষ কাটার কথা বলিয়া বাড়ি হইতে বাহির হয়। পরবর্তীতে সে আর ফিরে না আসায় বাদী বিষয়টি তাহার স্ত্রীর মাধ্যমে জানিতে পারিয়া দ্রুত কর্মস্থল কুমিল্লা হইতে নিজ বাড়িতে চলিয়া আসে।

প্রাথমিক তদন্তে পাওয়া যায় ধৃত আসামী মোঃ বাবুল হোসেন এর সাথে ডিসিষ্ট মেরিনা বেগম এর সম্পর্ক ছিল। মেরিনা এবং ধৃত আসামী মোঃ বাবুল হোসেন এর মোবাইল নম্বর আদান প্রদান হয়। তাহাদের মধ্যে মাঝে মধ্যেই মোবাইল ফোনে ফোনে বিভিন্ন ধরনের কথোপকথোন হয় এবং একপর্যায়ে তাহাদের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে উঠে। তাহাদের সম্পর্ক আরও গভীর হইলে ডিসিষ্ট মেরিনা বেগম আসামী মোঃ বাবুল হোসেনকে বিবাহের চাপ দেয়। আসামী মোঃ বাবুল হোসেন তাহাকে বিবাহ না করিলে প্রয়োজনে তার বাড়িতে যাবে কিংবা আত্নহত্যা করিবে মর্মে ডিসিষ্ট মেরিনা বেগম আসামী মোঃ বাবুল হোসেনকে সতর্ক করে। ডিসিষ্টের এহেন কথায় আসামী মোঃ বাবুল হোসেন ডিসিষ্টকে জানায় যে, আগামী রবিবার ইং ১৬/০৮/২০২৬ তারিখে তাহারা বিবাহ করিবে।

সেই মোতাবেক ডিসিষ্ট ইং ১৬/০৮/২০২৬ তারিখ দুপুরবেলা বাড়ি হইতে বাহির হইয়া যায়। পরবর্তীতে আসামী মোঃ বাবুল হোসেন অপর আসামী মোঃ তারেক রহমান সহ আরও ০২ জনকে ডিসিষ্ট মেরিনা বেগমকে নেওয়ার জন্য ৬নং জাহানপুর ইউপির সাহাপুরে পাঠায়। ধৃত আসামী তারেক সহ অপর ০২ জন আসামী সাহাপুর বাজার হইতে ডিসিষ্ট মেরিনাকে আগ্রাদ্বিগুন বাজারে রাত্রী অনুমান ১০.০০ ঘটিকার সময় নিয়ে আসে। সেখানে আসামী মোঃ বাবুল হোসেন মোটর সাইকেলযোগে আগ্রাদ্বিগুন বাজারে এসে জনৈক মোঃ নুরুজ্জামান এর তেলের দোকান হইতে ০৩ (তিন) লিটার পেট্রোল ক্রয় করে। ০২ লিটার পেট্রোল গাড়িতে উঠায় এবং অবশিষ্ট ০১ লিটার পেট্রোল ০১ লিটার বোতলে সংরক্ষন করিয়া একটি বাজার করা ব্যাগের মধ্যে লয়। আসামী মোঃ বাবুল হোসেন সহ অপরাপর আসামীগন আগ্রাদ্বিগুন বাজার হইতে একত্রিত হইয়া ডিসিষ্ট মেরিনা বেগমকে লইয়া ঘটনাস্থল সংলগ্ন মনিহারী টু তালপুকুর গামী পাকা রাস্তার মাঝামাঝি গিয়ে দাড়ায় এবং মোটর সাইকেল ও অটো রাস্তায় রাখিয়া রাস্তা হইতে ৩০০ ফিট দক্ষিন দিকে ধামইরহাট থানাধীন ২নং আগ্রাদ্বিগুন ইউপির তালপুকুর মাহমুদপুর গ্রামস্থ (ভালকাডাঙ্গা) জনৈক মোসাঃ জাহানারা, স্বামী মৃত আঃ সামাদ, সাং-অর্জুনপুর (ভাবুক), থানাঃ পত্নীতলা, জেলাঃ নওগা

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Popular Post

শিক্ষার্থী সংকটে কুড়িগ্রামের মুড়িয়াহাট দ্বিমুখী উচ্চ বিদ্যালয়: শিক্ষক থাকলেও নেই শিক্ষার্থী স্থানীয়দের অভিযোগ  

নওগাঁর ধামুইরহাট থানা পুলিশের অভিযানে হত্যার পরে আগুনে পুড়িয়ে দেওয়া আসামি ২৪ ঘন্টায় আটক।

Update Time : 06:20:38 pm, Thursday, 20 August 2026

মোঃ আব্দুল আজিজ শেখ ন‌ওগাঁঃ

নওগাঁর ধামইরহাট থানার খেলনা গ্রামস্থ জনৈক মেরিনা বেগম (৪৫) কে নৃশংসভাবে হত্যা কান্ডের খবর পেয়ে,নওগাঁ জেলা পুলিশ সুপার মোহাম্মদ তারিকুল ইসলাম, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার শরিফ ও ধামুইরহাট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোঃ মিন্টু রহমান কে, এই হত্যা কান্ডের রহস্য উৎঘাটন সহ আসামি কে আটক করার কোঠর ভাবে নির্দেশনা দেন।

নওগাঁ পুলিশ সুপারের নির্দেশনা পাওয়া মাত্র, দ্বায়িত্ব প্রাপ্ত সার্কেল এসপি ও ধামুইরহাট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা , মরদেহ আগুন দিয়ে পুড়িয়ে দেওয়ার ঘটনায় মামলা হওয়ার ১২ ঘন্টার মধ্যে হত্যাকাণ্ডে জড়িত ০২ জন আসামী গ্রেফতার ও হত্যাকান্ডে ব্যবহৃত আলামত উদ্ধার করেছে ধামুইরহাট থানা পুলিশ।

১৮ আগস্ট সন্ধ্যাট আনুমানিক ০৭.০০ ঘটিকার সময় নওগাঁ পুলিশ সুপার মোহাম্মদ তারিকুল ইসলাম, গোয়েন্দা তথ্য মারফত এবং পরবর্তীতে ওসি ধামইরহাট থানার মাধ্যমে জানতে পারে যে, ধামইরহাট থানাধীন ২নং আগ্রাদ্বিগুন ইউপির তালপুকুর মাহমুদপুর গ্রামস্থ (ভালকাডাঙ্গা) জনৈক মোসাঃ জাহানারা, স্বামী মৃত আঃ সামাদ, নওগাঁর আমবাগানের ভিতরে গভীর জঙ্গলের মধ্যে একটি আগুনে পোড়া অজ্ঞাত মহিলা লাশ পাওয়া গেছে। সংবাদ পাওয়া মাত্র পুলিশ সুপার দ্রুত অফিসার ইনচার্জ ধামইরহাট থানা এবং পত্নীতলা সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপারকে দ্রুত ঘটনাস্থলে যাওয়ার জন্য নির্দেশনা প্রদান করেন এবং পুলিশ সুপার নিজে বিষয়টি তদারকি শুরু করেন। উল্লেখ্য যে, একই সময় একজন ব্যক্তি কাউসার আলী তার মায়ের নিখোঁজ সংবাদ এর জিডি করার জন্য থানায় আসে।

প্রচন্ড বৃষ্টির মধ্যে থানা পুলিশ ২৫ কিলোমিটার দূরে ঘটনাস্থলে পৌঁছায় সেখানে গিয়ে দেখতে পায় একজন মধ্যবয়সী মহিলার আগুনে পোড়া মৃত দেহ তার পাশে ছড়িয়ে আছে তার নিত্য ব্যবহৃত কিছু প্রসাধনী জিনিস এবং পরিচয় পত্র।অত্র হত্যা মামলাটি একটি ক্লুলেস হত্যা মামলা। অতঃপর থানায় ডায়েরি করতে আসা কাউসার আলী ঘটনাস্থলে এসে সনাক্ত করে যে অজ্ঞাত পরিচয় লাশটি তার মায়ের যে ৩-৪ দিন পূর্বে বাসা থেকে বের হয়ে গেছে। তাৎক্ষনিক সিআইডি ও পিবিআই টিমকে অবহিত করা হয়।

অতঃপর পুরো বিষয়টি পুলিশ গভীরভাবে তদন্ত শুরু করে। তথ্য প্রযুক্তি সহায়তা, স্থানীয় তদন্ত এবং ডাটা বিশ্লেষণ করে পুলিশ কয়েকজনকে সন্দেহ করে। মধ্যরাতের পর অতিরিক্ত পুলিশ সুপার শরীফ এবং অফিসার ইনচার্জ মিন্টুর নেতৃত্বে অভিযান শুরু হয়। প্রচন্ড বৃষ্টির মধ্যে অভিযানে কিছুটা ব্যাঘাত হলেও টানা ছয় সাত ঘন্টা অভিযান করে প্রথমে স্থানীয় সাবেক মেম্বার ১। মোঃ বাবুল হোসেন (৪৯), পিতাঃ সামসুদ্দীন, মাতাঃ সজিমন, সাং-মড়লই, থানাঃ ধামইরহাট, জেলাঃ নওগাঁকে গ্রেফতার করা হয় এবং তাহার তথ্যের ভিত্তিতে পরবর্তীতে অপর তদন্তেপ্রাপ্ত আসামী ২। মোঃ তারেক রহমান (২১), পিতাঃ মোঃ মোজাম্মেল হক, মাতাঃ তহমিনা, সাং-মড়লই, থানাঃ ধামইরহাট, জেলাঃ নওগাঁকে গ্রেফতার করা হয়।

অতঃপর বিশেষ টিম তাদের দুইজনকে ব্যাপক জিজ্ঞাসাবাদের পর হত্যাকাণ্ডে তারা দুজনের জড়িত থাকার বিষয়টি স্বীকার করে। তাদের তথ্যমতে হত্যাকান্ডে ব্যবহৃত আলামত একটি বেল্ট এবং হত্যা পরবর্তী ভিকটিমের অন্যত্র ফেলে দেওয়া জুতার ব্যাগ আসামীদের তথ্য ও দেখানোমতে উদ্ধার করা হয়। বর্নিত আসামীদ্বয় সহ আরও ০২ জন আসামী অত্র হত্যাকান্ডের ঘটনার সহিত জড়িত। এই চারজন মিলে পরিকল্পিতভাবে মেরিনা বেগমকে হত্যা করা হয় এবং তার লাশের পরিচয় নষ্ট করার জন্য পেট্রোল দিয়ে পোড়ানো হয়।

প্রাথমিকভাবে তদন্তে জানা যায় যে, অত্র মামলার বাদী মেরিনা বেগমের ছেলে মোঃ কাউসার আলী ও ভিকটিমের স্বামী মোঃ হাছেন আলী (৫৫) জীবিকা নির্বাহের তাগিদে কুমিল্লায় অবস্থান করেন। গত ইং ১৪/০৮/২০২৬ তারিখ বেলা অনুমান ১১.৩০ ঘটিকার সময় বাদীর মা মেরিনা বেগম (৪৫) গরুর জন্য ঘাষ কাটার কথা বলিয়া বাড়ি হইতে বাহির হয়। পরবর্তীতে সে আর ফিরে না আসায় বাদী বিষয়টি তাহার স্ত্রীর মাধ্যমে জানিতে পারিয়া দ্রুত কর্মস্থল কুমিল্লা হইতে নিজ বাড়িতে চলিয়া আসে।

প্রাথমিক তদন্তে পাওয়া যায় ধৃত আসামী মোঃ বাবুল হোসেন এর সাথে ডিসিষ্ট মেরিনা বেগম এর সম্পর্ক ছিল। মেরিনা এবং ধৃত আসামী মোঃ বাবুল হোসেন এর মোবাইল নম্বর আদান প্রদান হয়। তাহাদের মধ্যে মাঝে মধ্যেই মোবাইল ফোনে ফোনে বিভিন্ন ধরনের কথোপকথোন হয় এবং একপর্যায়ে তাহাদের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে উঠে। তাহাদের সম্পর্ক আরও গভীর হইলে ডিসিষ্ট মেরিনা বেগম আসামী মোঃ বাবুল হোসেনকে বিবাহের চাপ দেয়। আসামী মোঃ বাবুল হোসেন তাহাকে বিবাহ না করিলে প্রয়োজনে তার বাড়িতে যাবে কিংবা আত্নহত্যা করিবে মর্মে ডিসিষ্ট মেরিনা বেগম আসামী মোঃ বাবুল হোসেনকে সতর্ক করে। ডিসিষ্টের এহেন কথায় আসামী মোঃ বাবুল হোসেন ডিসিষ্টকে জানায় যে, আগামী রবিবার ইং ১৬/০৮/২০২৬ তারিখে তাহারা বিবাহ করিবে।

সেই মোতাবেক ডিসিষ্ট ইং ১৬/০৮/২০২৬ তারিখ দুপুরবেলা বাড়ি হইতে বাহির হইয়া যায়। পরবর্তীতে আসামী মোঃ বাবুল হোসেন অপর আসামী মোঃ তারেক রহমান সহ আরও ০২ জনকে ডিসিষ্ট মেরিনা বেগমকে নেওয়ার জন্য ৬নং জাহানপুর ইউপির সাহাপুরে পাঠায়। ধৃত আসামী তারেক সহ অপর ০২ জন আসামী সাহাপুর বাজার হইতে ডিসিষ্ট মেরিনাকে আগ্রাদ্বিগুন বাজারে রাত্রী অনুমান ১০.০০ ঘটিকার সময় নিয়ে আসে। সেখানে আসামী মোঃ বাবুল হোসেন মোটর সাইকেলযোগে আগ্রাদ্বিগুন বাজারে এসে জনৈক মোঃ নুরুজ্জামান এর তেলের দোকান হইতে ০৩ (তিন) লিটার পেট্রোল ক্রয় করে। ০২ লিটার পেট্রোল গাড়িতে উঠায় এবং অবশিষ্ট ০১ লিটার পেট্রোল ০১ লিটার বোতলে সংরক্ষন করিয়া একটি বাজার করা ব্যাগের মধ্যে লয়। আসামী মোঃ বাবুল হোসেন সহ অপরাপর আসামীগন আগ্রাদ্বিগুন বাজার হইতে একত্রিত হইয়া ডিসিষ্ট মেরিনা বেগমকে লইয়া ঘটনাস্থল সংলগ্ন মনিহারী টু তালপুকুর গামী পাকা রাস্তার মাঝামাঝি গিয়ে দাড়ায় এবং মোটর সাইকেল ও অটো রাস্তায় রাখিয়া রাস্তা হইতে ৩০০ ফিট দক্ষিন দিকে ধামইরহাট থানাধীন ২নং আগ্রাদ্বিগুন ইউপির তালপুকুর মাহমুদপুর গ্রামস্থ (ভালকাডাঙ্গা) জনৈক মোসাঃ জাহানারা, স্বামী মৃত আঃ সামাদ, সাং-অর্জুনপুর (ভাবুক), থানাঃ পত্নীতলা, জেলাঃ নওগা