ভাঙ্গুড়ায় পুকুর খনন ও মাটি বিক্রির অভিযোগে প্রশাসনের নীরবতা নিয়ে ক্ষোভ

  • Reporter Name
  • Update Time : ১১:২৩:০৩ পূর্বাহ্ণ, শুক্রবার, ২২ মে ২০২৬
  • 25 Time View

নিজস্ব প্রতিনিধি: মো: আরিফুল ইসলাম
পাবনা জেলার ভাঙ্গুড়া উপজেলার খানমরিচ ইউনিয়নের ময়দানদিঘি দুধ বাড়িয়া গ্রামে আনুমানিক ৮-১০ বিঘা আয়তনের একটি পুকুর খনন করে ভেকু দিয়ে মাটি কেটে বিভিন্ন বাড়িতে অবাধে বিক্রির অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয়দের দাবি, দীর্ঘদিন ধরে একটি প্রভাবশালী সিন্ডিকেট প্রশাসনের চোখের সামনেই এসব কর্মকাণ্ড চালিয়ে যাচ্ছে, কিন্তু কার্যকর কোনো পদক্ষেপ দেখা যাচ্ছে না।

অভিযোগে জানা যায়, মাটি কাটার মূল হোতা হিসেবে খানমরিচ ইউনিয়ন যুবদলের সদস্য সচিব মোঃ হাশেম আলী (পিতা: মোঃ আব্দুল আজিজ), যুবদলের সদস্য মোঃ সুলতান আহমেদ (পিতা: আব্বাস মোল্লা), জামায়াত নেতা মোঃ আদম আলী (পিতা: গোলাপ আলী) এবং মোঃ শফিকুল ইসলাম (পিতা: মৃত জব্বার)-এর নাম স্থানীয়দের মুখে উঠে এসেছে।

স্থানীয়দের অভিযোগ, অভিযুক্তরা দীর্ঘদিন ধরে সরকারি খাস সম্পত্তি ও বিভিন্ন পৈত্রিক পুকুর খনন করে মাটি বিক্রি করে আসছেন। তারা রাজনৈতিক প্রভাব খাটিয়ে এসব কর্মকাণ্ড চালিয়ে যাচ্ছেন বলেও অভিযোগ করেন এলাকাবাসী।

এ বিষয়ে এলাকাবাসী প্রশাসনের দ্রুত হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন। তাদের দাবি, অবৈধভাবে মাটি কাটা বন্ধে জরুরি অভিযান পরিচালনা করে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হোক।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

ভাঙ্গুড়ায় পুকুর খনন ও মাটি বিক্রির অভিযোগে প্রশাসনের নীরবতা নিয়ে ক্ষোভ

Update Time : ১১:২৩:০৩ পূর্বাহ্ণ, শুক্রবার, ২২ মে ২০২৬

নিজস্ব প্রতিনিধি: মো: আরিফুল ইসলাম
পাবনা জেলার ভাঙ্গুড়া উপজেলার খানমরিচ ইউনিয়নের ময়দানদিঘি দুধ বাড়িয়া গ্রামে আনুমানিক ৮-১০ বিঘা আয়তনের একটি পুকুর খনন করে ভেকু দিয়ে মাটি কেটে বিভিন্ন বাড়িতে অবাধে বিক্রির অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয়দের দাবি, দীর্ঘদিন ধরে একটি প্রভাবশালী সিন্ডিকেট প্রশাসনের চোখের সামনেই এসব কর্মকাণ্ড চালিয়ে যাচ্ছে, কিন্তু কার্যকর কোনো পদক্ষেপ দেখা যাচ্ছে না।

অভিযোগে জানা যায়, মাটি কাটার মূল হোতা হিসেবে খানমরিচ ইউনিয়ন যুবদলের সদস্য সচিব মোঃ হাশেম আলী (পিতা: মোঃ আব্দুল আজিজ), যুবদলের সদস্য মোঃ সুলতান আহমেদ (পিতা: আব্বাস মোল্লা), জামায়াত নেতা মোঃ আদম আলী (পিতা: গোলাপ আলী) এবং মোঃ শফিকুল ইসলাম (পিতা: মৃত জব্বার)-এর নাম স্থানীয়দের মুখে উঠে এসেছে।

স্থানীয়দের অভিযোগ, অভিযুক্তরা দীর্ঘদিন ধরে সরকারি খাস সম্পত্তি ও বিভিন্ন পৈত্রিক পুকুর খনন করে মাটি বিক্রি করে আসছেন। তারা রাজনৈতিক প্রভাব খাটিয়ে এসব কর্মকাণ্ড চালিয়ে যাচ্ছেন বলেও অভিযোগ করেন এলাকাবাসী।

এ বিষয়ে এলাকাবাসী প্রশাসনের দ্রুত হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন। তাদের দাবি, অবৈধভাবে মাটি কাটা বন্ধে জরুরি অভিযান পরিচালনা করে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হোক।