ভাঙ্গুড়ায় বিয়ের প্রলোভনে তরুণীকে ধর্ষণের অভিযোগ, বিয়ে করতে অস্বীকৃতি

  • Reporter Name
  • Update Time : ১১:২৭:৩৩ পূর্বাহ্ণ, শুক্রবার, ২২ মে ২০২৬
  • 34 Time View

টাপ রিপোর্টার : পাবনার ভাঙ্গুড়া উপজেলার খানমরিচ ইউনিয়নের হেলেনচা গ্রামে বিয়ের প্রলোভনে এক তরুণীকে দীর্ঘদিন ধরে ধর্ষণের অভিযোগে এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।

অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, বৃদ্ধ মরিচ পাইকপাড়া গ্রামের মোঃ আনসার ফকিরের ছেলে মোঃ হাবিবুল্লাহ পাশের গ্রামের হেলেনচা পশ্চিমপাড়ার মোঃ নুরুল ইসলামের মেয়ে মোছাঃ আদুরী খাতুনকে দীর্ঘদিন ধরে বিয়ের আশ্বাস দিয়ে সম্পর্ক গড়ে তোলে। পরে বিভিন্ন সময়ে তাকে নিজের বাড়ির ভিটায় নিয়ে ধর্ষণ করেছে বলে অভিযোগ উঠেছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত ২১ মে সন্ধ্যা আনুমানিক ৭টার দিকে আবারও আদুরী খাতুনের ঘরে গেলে এলাকাবাসী বিষয়টি টের পেয়ে হাবিবুল্লাহকে আটক করে রাখে। পরে স্থানীয়রা তাকে বিয়ের কথা বললে তিনি তাতে অস্বীকৃতি জানান।

ঘটনাটি জানাজানি হলে খানমরিচ ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মনোয়ার হোসেন খোকন বিষয়টি অবগত হন। তিনি জানান, “সন্ধ্যার পরে বিএনপি, জামায়াতসহ সকল শ্রেণির মানুষকে নিয়ে বিষয়টি সমাধানের চেষ্টা করা হবে। ঘটনাস্থলে গ্রাম পুলিশ পাঠানো হয়েছে।”

আরও জানা গেছে, প্রায় এক বছর আগে হাবিবুল্লাহ ও আদুরী খাতুনের মধ্যে বিয়ে হয়েছিল বলে দাবি করা হয়। তবে বিয়ের ১৫ দিনের মাথায় তাদের বিচ্ছেদ ঘটে। বর্তমানে এ সংক্রান্ত একটি মামলা নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালে বিচারাধীন রয়েছে বলেও জানা গেছে।

এ বিষয়ে অভিযুক্ত হাবিবুল্লাহ গণমাধ্যমকর্মীদের জানান, তিনি আদুরী খাতুনের কাছ থেকে ২ হাজার টাকা ধার নিতে গিয়েছিলেন। পরে হাবিবুল্লাহকে জিজ্ঞাসা করলে হাবিবুল্লাহ বলেন জি আমার শারীরিক সম্পর্ক হয়েছে কয়েকবার,

এমত অবস্থায় আদুরী খাতুন কে জিজ্ঞাসা করলে আদুরি খাতুন বলেন আমি মানা করা শর্তেও আমাকে তার ভিটায় দেখা করতে বলে ভিটাতে দেখা করতে গেলে আমি বাধা দিলেও সে আমার সঙ্গে শারীরিক সম্পর্ক করে আরো বলে আমি বিয়ে তো তোমাকে করবোই, কুরবানী ঈদের পরে,

অন্যদিকে আদুরী খাতুনের মা সুশীল সমাজ ও গণমাধ্যমকর্মীদের কাছে ঘটনার সুষ্ঠু বিচার দাবি করেছেন।

এ বিষয়ে ভাঙ্গুড়া থানার অফিসার ইনচার্জ জানান, পুলিশ একটি মৌখিক অভিযোগ পেয়েছে। তবে এখন পর্যন্ত কোনো লিখিত অভিযোগ পাওয়া যায়নি। লিখিত অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে তিনি জানান।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

ভাঙ্গুড়ায় বিয়ের প্রলোভনে তরুণীকে ধর্ষণের অভিযোগ, বিয়ে করতে অস্বীকৃতি

Update Time : ১১:২৭:৩৩ পূর্বাহ্ণ, শুক্রবার, ২২ মে ২০২৬

টাপ রিপোর্টার : পাবনার ভাঙ্গুড়া উপজেলার খানমরিচ ইউনিয়নের হেলেনচা গ্রামে বিয়ের প্রলোভনে এক তরুণীকে দীর্ঘদিন ধরে ধর্ষণের অভিযোগে এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।

অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, বৃদ্ধ মরিচ পাইকপাড়া গ্রামের মোঃ আনসার ফকিরের ছেলে মোঃ হাবিবুল্লাহ পাশের গ্রামের হেলেনচা পশ্চিমপাড়ার মোঃ নুরুল ইসলামের মেয়ে মোছাঃ আদুরী খাতুনকে দীর্ঘদিন ধরে বিয়ের আশ্বাস দিয়ে সম্পর্ক গড়ে তোলে। পরে বিভিন্ন সময়ে তাকে নিজের বাড়ির ভিটায় নিয়ে ধর্ষণ করেছে বলে অভিযোগ উঠেছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত ২১ মে সন্ধ্যা আনুমানিক ৭টার দিকে আবারও আদুরী খাতুনের ঘরে গেলে এলাকাবাসী বিষয়টি টের পেয়ে হাবিবুল্লাহকে আটক করে রাখে। পরে স্থানীয়রা তাকে বিয়ের কথা বললে তিনি তাতে অস্বীকৃতি জানান।

ঘটনাটি জানাজানি হলে খানমরিচ ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মনোয়ার হোসেন খোকন বিষয়টি অবগত হন। তিনি জানান, “সন্ধ্যার পরে বিএনপি, জামায়াতসহ সকল শ্রেণির মানুষকে নিয়ে বিষয়টি সমাধানের চেষ্টা করা হবে। ঘটনাস্থলে গ্রাম পুলিশ পাঠানো হয়েছে।”

আরও জানা গেছে, প্রায় এক বছর আগে হাবিবুল্লাহ ও আদুরী খাতুনের মধ্যে বিয়ে হয়েছিল বলে দাবি করা হয়। তবে বিয়ের ১৫ দিনের মাথায় তাদের বিচ্ছেদ ঘটে। বর্তমানে এ সংক্রান্ত একটি মামলা নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালে বিচারাধীন রয়েছে বলেও জানা গেছে।

এ বিষয়ে অভিযুক্ত হাবিবুল্লাহ গণমাধ্যমকর্মীদের জানান, তিনি আদুরী খাতুনের কাছ থেকে ২ হাজার টাকা ধার নিতে গিয়েছিলেন। পরে হাবিবুল্লাহকে জিজ্ঞাসা করলে হাবিবুল্লাহ বলেন জি আমার শারীরিক সম্পর্ক হয়েছে কয়েকবার,

এমত অবস্থায় আদুরী খাতুন কে জিজ্ঞাসা করলে আদুরি খাতুন বলেন আমি মানা করা শর্তেও আমাকে তার ভিটায় দেখা করতে বলে ভিটাতে দেখা করতে গেলে আমি বাধা দিলেও সে আমার সঙ্গে শারীরিক সম্পর্ক করে আরো বলে আমি বিয়ে তো তোমাকে করবোই, কুরবানী ঈদের পরে,

অন্যদিকে আদুরী খাতুনের মা সুশীল সমাজ ও গণমাধ্যমকর্মীদের কাছে ঘটনার সুষ্ঠু বিচার দাবি করেছেন।

এ বিষয়ে ভাঙ্গুড়া থানার অফিসার ইনচার্জ জানান, পুলিশ একটি মৌখিক অভিযোগ পেয়েছে। তবে এখন পর্যন্ত কোনো লিখিত অভিযোগ পাওয়া যায়নি। লিখিত অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে তিনি জানান।