বীরশ্রেষ্ঠদের গলায় দড়ি, দায় কার? টাঙ্গাইল পৌর উদ্যানে বিতর্কের ঝড়

  • Reporter Name
  • Update Time : ১২:৩২:২০ অপরাহ্ণ, মঙ্গলবার, ৫ মে ২০২৬
  • 105 Time View

বীরশ্রেষ্ঠদের প্রতি অবমাননা! টাঙ্গাইল পৌর উদ্যানে ভাস্কর্যের গলায় দড়ি বেঁধে বিসিক মেলার স্টল নির্মাণ

টাঙ্গাইল প্রতিনিধি:
টাঙ্গাইল পৌর উদ্যানে স্থাপিত জাতির শ্রেষ্ঠ সন্তান সাত বীরশ্রেষ্ঠ মুক্তিযোদ্ধার ভাস্কর্যের সঙ্গে অবমাননাকর আচরণের অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগ অনুযায়ী, ওই ভাস্কর্যের গলায় দড়ি বেঁধে তার সঙ্গে সংযুক্ত করে বিসিক মেলার স্টল নির্মাণ করা হয়েছে।

স্থানীয়দের দাবি, জাতীয় ইতিহাস ও মুক্তিযুদ্ধের গৌরবময় অধ্যায়ের প্রতীক হিসেবে স্থাপিত এসব ভাস্কর্যকে এভাবে ব্যবহার করা অত্যন্ত দুঃখজনক ও অগ্রহণযোগ্য। তারা বলেন, এটি শুধু ভাস্কর্যের প্রতি নয়, বরং পুরো মুক্তিযুদ্ধের চেতনার প্রতি অসম্মান প্রদর্শন।

ঘটনাটি প্রকাশ পাওয়ার পর থেকেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয়েছে। অনেকে একে “অবিবেচনাপ্রসূত কাজ” হিসেবে উল্লেখ করে দোষীদের বিরুদ্ধে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন।

স্থানীয় সচেতন মহল ও মুক্তিযোদ্ধা পরিবারের সদস্যরা এ ঘটনার তীব্র নিন্দা জানিয়ে বলেন, শহীদ বীরশ্রেষ্ঠদের মর্যাদা রক্ষায় প্রশাসনের আরও দায়িত্বশীল ভূমিকা প্রয়োজন ছিল। তারা দ্রুত ভাস্কর্যসমূহের মর্যাদা পুনঃপ্রতিষ্ঠা এবং সংশ্লিষ্টদের জবাবদিহির আওতায় আনার দাবি জানান।

এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে এখনো কোনো আনুষ্ঠানিক বক্তব্য পাওয়া যায়নি। তবে স্থানীয় প্রশাসন বিষয়টি খতিয়ে দেখছে বলে জানা গেছে।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

বীরশ্রেষ্ঠদের গলায় দড়ি, দায় কার? টাঙ্গাইল পৌর উদ্যানে বিতর্কের ঝড়

Update Time : ১২:৩২:২০ অপরাহ্ণ, মঙ্গলবার, ৫ মে ২০২৬

বীরশ্রেষ্ঠদের প্রতি অবমাননা! টাঙ্গাইল পৌর উদ্যানে ভাস্কর্যের গলায় দড়ি বেঁধে বিসিক মেলার স্টল নির্মাণ

টাঙ্গাইল প্রতিনিধি:
টাঙ্গাইল পৌর উদ্যানে স্থাপিত জাতির শ্রেষ্ঠ সন্তান সাত বীরশ্রেষ্ঠ মুক্তিযোদ্ধার ভাস্কর্যের সঙ্গে অবমাননাকর আচরণের অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগ অনুযায়ী, ওই ভাস্কর্যের গলায় দড়ি বেঁধে তার সঙ্গে সংযুক্ত করে বিসিক মেলার স্টল নির্মাণ করা হয়েছে।

স্থানীয়দের দাবি, জাতীয় ইতিহাস ও মুক্তিযুদ্ধের গৌরবময় অধ্যায়ের প্রতীক হিসেবে স্থাপিত এসব ভাস্কর্যকে এভাবে ব্যবহার করা অত্যন্ত দুঃখজনক ও অগ্রহণযোগ্য। তারা বলেন, এটি শুধু ভাস্কর্যের প্রতি নয়, বরং পুরো মুক্তিযুদ্ধের চেতনার প্রতি অসম্মান প্রদর্শন।

ঘটনাটি প্রকাশ পাওয়ার পর থেকেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয়েছে। অনেকে একে “অবিবেচনাপ্রসূত কাজ” হিসেবে উল্লেখ করে দোষীদের বিরুদ্ধে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন।

স্থানীয় সচেতন মহল ও মুক্তিযোদ্ধা পরিবারের সদস্যরা এ ঘটনার তীব্র নিন্দা জানিয়ে বলেন, শহীদ বীরশ্রেষ্ঠদের মর্যাদা রক্ষায় প্রশাসনের আরও দায়িত্বশীল ভূমিকা প্রয়োজন ছিল। তারা দ্রুত ভাস্কর্যসমূহের মর্যাদা পুনঃপ্রতিষ্ঠা এবং সংশ্লিষ্টদের জবাবদিহির আওতায় আনার দাবি জানান।

এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে এখনো কোনো আনুষ্ঠানিক বক্তব্য পাওয়া যায়নি। তবে স্থানীয় প্রশাসন বিষয়টি খতিয়ে দেখছে বলে জানা গেছে।