
দুধের বদলে যেন ‘কেমিক্যালের শরবত’! ঘনত্ব বাড়াতে জেলি, আর টাটকা রাখার নামে হাইড্রোজেন পার-অক্সাইড—পাবনার সাঁথিয়ায় এমনই অভিযোগে ‘জুই ডেইরি ফার্ম’ সাময়িক সিলগালা করেছে ভোক্তা-অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর।
অভিযানে উদ্ধার হয়েছে ২ হাজার ৫০০ লিটার ভেজাল দুধ ও দুই ব্যারেল ক্ষতিকর জেলি। ঘটনাস্থলেই এসব ধ্বংস করা হয়। একই ঘটনায় ফার্মের মালিক মো. মানিককে ২ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে।
রোববার (৬ সেপ্টেম্বর) ভোরে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে সাঁথিয়ার নাগডেমড়া এলাকায় অভিযান চালান পাবনা ভোক্তা-অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক মো. মাহমুদ হাসান রনি।
অভিযান সংশ্লিষ্টদের দাবি, দুধের পরিমাণ ও ঘনত্ব কৃত্রিমভাবে বাড়াতে জেলিজাতীয় পদার্থ এবং দীর্ঘসময় দুধ ‘তাজা’ দেখাতে হাইড্রোজেন পার-অক্সাইড ব্যবহার করা হচ্ছিল।
অর্থাৎ, গাভীর দুধ কতটা আর রাসায়নিকের কারসাজি কতটা—সেটিই যেন হয়ে উঠেছিল বড় প্রশ্ন!
এ ঘটনায় ফার্মের মালিককে জরিমানা করার পাশাপাশি প্রতিষ্ঠানটি সাময়িকভাবে সিলগালা করা হয়েছে।
অভিযানে জেলা স্যানিটারি ইন্সপেক্টর মো. মাহমুদ আলম ও আনসার ব্যাটালিয়নের সদস্যরা সহযোগিতা করেন।
বিশেষজ্ঞদের মতে, এ ধরনের ক্ষতিকর পদার্থ মিশ্রিত দুধ নিয়মিত সেবন স্বাস্থ্যের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ হতে পারে। শিশুদের ক্ষেত্রে ঝুঁকি আরও বেশি।
ভোক্তার প্রশ্ন—যে দুধ পরিবারের শিশুদের মুখে যাওয়ার কথা, সেখানে দুধের বদলে জেলি-কেমিক্যাল ঢোকানোর সাহস আসে কীভাবে?
মোঃ: মামুন হোসেন সম্রাট 



















