
মোঃ হাসান মাহমুদ জয়
কুড়িগ্রামের ভূরুঙ্গামারীতে পর্যাপ্ত সার না পেয়ে কৃষকরা জোটবদ্ধ হয়ে একটি ডিলার পয়েন্টের গুদামের দরজা ভেঙে ১৯৭ বস্তায় প্রায় ১০ হাজার কেজি ইউরিয়া সার নিয়ে যাওয়ার ঘটনা ঘটেছে। রোববার (২৩ আগস্ট) সকাল ১১টার দিকে উপজেলার শিলখুড়ি ইউনিয়নের মেসার্স শাহ আমানত ডিলার পয়েন্টে এই চাঞ্চল্যকর ঘটনা ঘটে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, শিলখুড়ি ইউনিয়নের ডিলার ‘শাহ আমানত ট্রেডার্স’-এর মালিক তাইফুর রহমান মুকুল পর্যাপ্ত পরিমাণ সার বরাদ্দ পেলেও কৃষকদের দিতে গড়িমশি করেন। তাঁর মোট বরাদ্দ ছিল ১৩২০ বস্তা সার, যার মধ্যে গুদামে মজুদ ছিল ৩৪০ বস্তা। রোববার সকাল থেকে তার ডিলার পয়েন্টে দুই শতাধিক কৃষক সারের জন্য জড়ো হন। দীর্ঘক্ষণ অপেক্ষার পর ডিলার পয়েন্ট না খোলায় এবং সার না পাওয়ার শঙ্কা তৈরি হওয়ায় ক্ষুব্ধ কৃষকেরা গুদামের দরজা ভেঙে ১৯০ বস্তা ইউরিয়া সার নিয়ে যেতে থাকেন। পরে পুলিশ খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিবেশ নিয়ন্ত্রণে আনে এবং বাকি সার রক্ষা করে। পুলিশের তৎপরতায় এ পর্যন্ত ৩৩ জন কৃষক ৩৩ বস্তা সার ফেরত দিয়ে গেছেন, এবং বাকিগুলো উদ্ধারের চেষ্টা চলছে।
* উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও): ভূরুঙ্গামারী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) অমৃত দেবনাথ জানান, তিনি সারাদিন জেলা মিটিংয়ে ব্যস্ত ছিলেন, ফলে এই বিষয়ে তিনি অবগত ছিলেন না।
* থানা ইনচার্জ (ওসি): ভূরুঙ্গামারী থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আজিমুদ্দিন বলেন, ওই ইউনিয়নে সারের চাহিদা প্রায় ৪ হাজার বস্তা, অথচ মোট বরাদ্দ ছিল ১৩২০ বস্তা এবং উত্তোলন আরও কম ছিল। কৃষকরা সার না পাওয়ার শঙ্কা থেকে গুদাম থেকে সার নিয়ে গিয়েছিল। খবর পেয়ে পুলিশ এসে পরিস্থিতি শান্ত করে। এর মধ্যে ১৯৭ বস্তা সার কৃষকরা নিয়ে গেলেও পুলিশের তৎপরতায় ৩৩ জন ৩৩ বস্তা ফেরত দিয়ে গেছে এবং বাকিগুলো উদ্ধারের চেষ্টা চলছে।
উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা: এ বিষয়ে বক্তব্য নেওয়ার জন্য উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা আব্দুল জব্বারকে ফোন দেওয়া হলে তিনি পরে কথা বলবেন বলে ফোন রেখে দেন।
Reporter Name 



















