
রোকন বিশ্বাস-নিজস্ব প্রতিনিধিঃ
পাবনার বেড়া পৌর যুবলীগের নেতা সোহেলকে গ্রেপ্তার করতে পুলিশ ঘটনাস্থলে গেলে নিষিদ্ধ সংগঠনের কয়েকজন নেতাকর্মী ও সমর্থক তাকে পুলিশের হাত থেকে ছাড়িয়ে নিয়ে যাওয়ার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় পুলিশের ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন স্থানীয় প্রত্যক্ষদর্শীরা।
প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, সোহেলকে গ্রেপ্তারের জন্য পুলিশ ঘটনাস্থলে গেলে আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীসহ ওই সময় তার সঙ্গে চলাফেরা করা কয়েকজন ব্যক্তি প্রকাশ্যে পুলিশের কার্যক্রমে বাধা দেন। একপর্যায়ে তারা পুলিশের কাছ থেকে সোহেলকে ছাড়িয়ে নিয়ে চলে যান বলে অভিযোগ রয়েছে।
প্রত্যক্ষদর্শীরা আরও জানান, ঘটনাস্থলে পুলিশের উপস্থিতি তুলনামূলক কম থাকায় পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে কার্যকর কোনো আইনগত পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি। পুলিশের উপস্থিতিতেই একজন অভিযুক্তকে কীভাবে ছাড়িয়ে নেওয়া হলো, এ নিয়ে স্থানীয়দের মধ্যে নানা প্রশ্ন দেখা দিয়েছে।
স্থানীয়দের অভিযোগ, কোনো আসামিকে গ্রেপ্তারের সময় বাধা দেওয়া হলে আইন অনুযায়ী সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার সুযোগ রয়েছে। কিন্তু এ ঘটনায় তাৎক্ষণিকভাবে দৃশ্যমান কোনো কার্যকর পদক্ষেপ দেখা যায়নি। ফলে পুলিশের দায়িত্ব পালনের সক্ষমতা ও ঘটনাস্থলে তাদের ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে।
স্থানীয়রা বলেন, সোহেল যদি সত্যিই নিষিদ্ধ সংগঠনের সঙ্গে সম্পৃক্ত থাকেন কিংবা কোনো মামলায় গ্রেপ্তারযোগ্য ব্যক্তি হয়ে থাকেন এবং পুলিশ তাকে গ্রেপ্তার করতে গিয়ে থাকে, তাহলে পুলিশের কাছ থেকে তাকে ছাড়িয়ে নেওয়ার ঘটনায় জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া উচিত। একই সঙ্গে ঘটনার সময় দায়িত্বে থাকা পুলিশ সদস্যদের ভূমিকা তদন্ত করে দেখারও দাবি জানান তারা।
এ বিষয়ে বেড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নয়ন কুমার সরকারকে মুঠোফোনে একাধিকবার কল করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।
পাবনার পুলিশ সুপার আবু আশ্রাফ মুঠোফোনে দৈনিক কলমের দর্পণ-পত্রিকার পাবনা জেলা নিজস্ব প্রতিনিধি রোকন বিশ্বাসকে জানান, বেড়ার ঘটনাকে কেন্দ্র করে মামলা নেওয়া হচ্ছে এবং পুলিশের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।
Reporter Name 



















