“একজনের ভুলে ৯৯ জনকে দোষী নয়, আমি ভালোর পক্ষে”—আরিফা সুলতানা রুমা।
নিজস্ব প্রতিনিধি :
" একজন খারাপ কিন্তু ৯৯ জনই ভালো আমি ভালোর পক্ষে। আমি সমাজের খারাপের বিপক্ষে। নিজ দলেরও যারা খারাপ রয়েছেন। আপনারা তাদের বিরুদ্ধে লেখেন। এমনকি আমি নিজেও যদি খারাপ কোন কাজ করি তাহলে সেটিও আপনারা লিখবেন। যার মধ্য দিয়ে আমি নিজেকে সংশোধন করে নিতে পারি। লেখালেখিতে আপনারা স্বাধীন। আপনারা নির্ভয়ে গঠনমূলক সমালোচনা করবেন। পাশাপাশি আমার সরকার প্রধান মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সরকারের গৃহীত পদক্ষেপ গুলি জন সম্মুখে তুলে ধরবেন। আমার নাম ব্যবহার করে কেউ দুর্নীতি করলে আপনারা জানতে পারলে সঙ্গে সঙ্গে আমাকে বলবেন আমি সেটির ব্যবস্থা নিব। আমি কোন অন্যায় কারীর সঙ্গে নেই। জনাব তারেক রহমান আপনাদের মুখে হাসি ফোটানোর জন্য প্রধানমন্ত্রী হয়েও সাদামাটা জীবন যাপন করছেন। তিনি সদা সর্বদা রাষ্ট্রীয় অর্থব্যয় কমিয়ে রাখার যথাসাধ্য চেষ্টা করছেন। আমি এই জনপদের সন্তান। আমার পিতামাতা এ জনপদের কবরে শুয়ে আছেন। আমি আপনাদের পাশে থাকতে চাই। আপনারা আমাকে পাশে রাখুন। আপনারা আমাকে দিয়ে বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কর্মকান্ডে সহযোগিতা নিন। আমি ক্ষমতা নিয়েছি প্রায় চার মাস। এই চার মাসে বেশ কিছু উন্নয়ন প্রকল্পের জন্য চেষ্টা করেছি। সরকার সেগুলি অনেকটাই বাস্তবায়নের আশ্বাস দিয়েছেন। যা আগামী ছয় থেকে এক বছরের মধ্যেই দৃশ্যমান হবে। এরমধ্যে চাটমোহর রেলস্টেশনকে মডেল রেলস্টেশনে পরিণত করা, কমপক্ষে দুটি আরও আন্তঃনগর ট্রেন চাটমোহর স্টেশনে দাঁড় করানো। যাত্রীদের টিকিট বরাদ্দের পরিমাণ বাড়ানো। তিন উপজেলায় তিনটি খেলার মাঠ নির্মাণ। বড়াল ব্রিজের উপর লোহার বেইলি সেতুর স্থলে একটি ব্রিজ নির্মাণ। বিভিন্ন বিষয়গুলি পাবনা সদর আসনের সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট শামসুর রহমান শরীফ শিমুল বিশ্বাসের সহযোগিতায় প্রকল্পগুলি বরাদ্দ পাওয়া গেছে। আগামীতে এর সুফল পাওয়া যাবে। " পাবনার চাটমোহর মিলনায়তনে সাংবাদিকদের সঙ্গে (১০ অক্টোবর) শনিবার বেলা ১১ টার দিকে একমত বিনিময় সভায় সংরক্ষিত মহিলা সংসদ সদস্য এডভোকেট আরিফা সুলতানা উপরোক্ত কথাগুলি উল্লেখ করেন।
এ সময় তিনি আরো বলেন, মাদকের বিরুদ্ধে সরকার জিরো টলারেন্স। আপনাদের আশেপাশে মাদক কারবারি যারা আছে তাদের বিষয়ে আপনারা লিখেন। তিনি এবং তার প্রশাসন তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে বদ্ধপরিকর।
মতবিনিময় সভায় অন্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন পাবনা প্রেসক্লাবের সভাপতি যুগান্তর ও চ্যানেল আইয়ের সাংবাদিক আখতারুজ্জামান আক্তার, সাধারণ সম্পাদক আমার দেশ পত্রিকার স্টাফ রিপোর্টার মোঃ জহুরুল ইসলাম, চাটমোহর প্রেসক্লাবের সভাপতি ও আমার দেশ প্রতিনিধি রাকিবুল নবি টুকুন, সাবেক সভাপতি দৈনিক ইত্তেফাক পত্রিকার প্রতিনিধি হেলালুর রহমান জুয়েল, ভাঙ্গুড়া প্রেসক্লাবের সভাপতি ও ইত্তেফাকের প্রতিনিধি মাহবুবুব উল আলম বাবলু, ফরিদপুর প্রেসক্লাবের সভাপতি হাফিজুর রহমান, সাধারণ সম্পাদক আব্দুল বাছিত,চাটমোহর প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক সুজিত সাহা কিংশুক, সাবেক সাধারণ সম্পাদক মাসুদ রানা সহ প্রমুখ।
এ সময় সাংবাদিকরা বলেন, সাংবাদিকরা কাহার ওই প্রতিপক্ষ নন। তারা যে কোনো তথ্য উপস্থাপন করেন মাত্র। উপস্থাপিত বিষয়গুলো যাচাই-বাছাই করে ক্ষমতাসীন দলের দায়িত্বপ্রাপ্তরা বিষয়গুলো সংশোধিত হয়ে রাষ্ট্র পরিচালনা করবেন এটি প্রত্যাশা। কিন্তু কোন কোন জায়গাতে কেউ কেউ সংক্ষুদ্ধ হয়ে ওই সাংবাদিকের বিরুদ্ধে মামলা কিংবা হামলা করা অত্যন্ত দুঃখজনক। সমাজের যে কোনই সমস্যা কিম্বা অন্যায় অনিয়ম দেখলে সাংবাদিকের কাজ। তাই সাংবাদিকদের পেশাগত কাজে হস্তক্ষেপ না করতেও দায়িত্বশীল ব্যক্তিদের আহ্বান জানান।